আরমানকে সহায়তা করেননি টিউলিপ শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম হওয়া

 নিউজ ডেস্ক ::  বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে যুক্তরাজ্যের নগরমন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গুম হওয়া এক আইনজীবীর মুক্তিতে সহায়তা না করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৭ আগস্ট নিল জনস্টনের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেমকে (আরমান) গুম করার অভিযোগ ওঠে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ‘আয়নাঘর’ নামে গোপন কারাগারে যেখানে তিনি দীর্ঘ আট বছর বন্দি ছিলেন।

টেলিগ্রাফ জানায়, টিউলিপের খালা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে শত শত মানুষ গুম হয়েছিলেন। গুমের শিকার হওয়া ব্যারিস্টার আরমান তাদেরই একজন। দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা এখন ভারতে। তার আমলে বিরোধীদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ও তাদের গোপনে কারারুদ্ধ করাসহ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যখন টিউলিপের বিরুদ্ধে ‘নিজের বাসা ভাড়া দিয়ে খালা শেখ হাসিনার সহযোগীর দুই মিলিয়ন পাউন্ডের একটি বাড়ি ভাড়া’ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ব্যারিস্টার আরমান নিখোঁজ হওয়ার এক বছর আগে ২০১৫ সালে হ্যাম্পস্টেডের এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর টিউলিপ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমি তার (শেখ হাসিনা) কাছ থেকে রাজনীতি সম্পর্কে সবকিছু শিখেছি- সামাজিক ন্যায়বিচার ও কীভাবে জনগণের কাছে পৌঁছাতে হয়’।

 

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে আট বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গোপন কারাগার থেকে বের করা হয় ব্যারিস্টার আরমানকে। ২০১৬ সালে নিখোঁজ হওয়া ৪০ বছর বয়সী আরমানের আইনজীবীরা বলেছেন, টিউলিপ তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যবহার করে তাকে (আরমান) আরও আগে মুক্ত করতে পারতেন।

আরমানের আইনজীবী মাইকেল পোলাক বলেন, আমরা টিউলিপকে তার খালা শেখ হাসিনার সঙ্গে আরমানের মুক্তির বিষয়ে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। এই অনুরোধ আমার ও আরমানের মায়ের পক্ষে থেকে করা হয়। দুর্ভাগ্যবশত টিউলিপ সাহায্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

পোলাক বলেন, আরমানকে ‘আয়নাঘর’ নামে একটি গোপন কারাগারে বন্দি করা হয়েছিল। সেখানে একজন বন্দি নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে দেখতে পায় না। সেখানে তাকে কারও সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি।

জামায়াতের সাবেক নেতা কাসেমের পরিবারের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আরমানকে ‘বন্দিদশা’ থেকে মুক্ত করতে যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপের কাছে সহায়তা চেয়েছিল তার পরিবার। তবে ব্রিটেনে পড়াশোনা করা আরমানকে সাহায্য করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন টিউলিপ।






সম্পর্কিত সংবাদ

  • গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি
  • টিএসসিতে ‘শালুকডাঙার কথা’ পরিবেশন করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাট্য সংসদ
  • দুই দেশের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রিবেদী
  • হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৫৬
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন