কর্তৃপক্ষ রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ সরকারী হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের বিভিন্ন অযুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

পাইকগাছা (খুলনা):
জেলার কয়রা (জায়গীরমহল) ও পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সয়ের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে চলছে নানা ধরণের বাণিজ্য। রোগীর লোকের কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া উক্ত দু’টি হাসপাতালেই রয়েছে দু’টি করে এ্যাম্বুলেন্স। হাসপাতালে দু’টি এ্যাম্বুলেন্স থাকা সত্বেও শুধুমাত্র একটি এ্যাম্বুলেন্স চলে খাতাকলমে। অন্য এ্যাম্বুলেন্সটিতে রোগীবহন করা হয় প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে। যার হিসাব-নিকাশ স্ব স্ব এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারেরা রাখেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সয়ের একটি করে এ্যাম্বুলেন্স থাকাকালীন গত বছর সরকারীভাবে দু’টি হাসপাতালেই আরেকটি করে নতুন উন্নতমানের এ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়। এখন উভয় হাসপাতালে দু’টি করে এ্যাম্বুলেন্স থাকা সত্বেও কাগজেকলমে একটি এ্যাম্বুলেন্সই রোগী আনানেয়া করে। নতুন এ্যাম্বুলেন্স রোগী আনানেয়া করতে বাইরে থাকলে তখন কোন রোগী এলে এবং খুলনায় নেয়ার প্রয়োজন হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার ড্রাইভার দিয়ে পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সে রোগী আনানেয়া করা হয়ে থাকে। তবে পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সের বেলায় রোগীর লোকের কাছ থেকে প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সের সমানে ভাড়া নেয়া হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সয়ের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুজন কুমার সরকার বলেন, সরকারী হিসাব মতে প্রতি কিলোমিটার এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া দশ টাকা করে। সে হিসেবে পাইকগাছা থেকে খুলনার দূরত্ব ৬৬ কিলোমিটার হলে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া হয় ৬৬০ টাকা বলা হলে ডাঃ সুজন কুমার সরকার জানান, আমার সাধারণত যাওয়া-আসার ভাড়ার টাকা নেই। সে হিসেবে প্রতি কিলোমিটার এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া হয় কুড়ি টাকা অর্থাৎ খুলনায় রোগী নিতে গেলে পাইকগাছা থেকে ভাড়া আসে ১৩২০ টাকা। আর জায়গীরমহল হাসপাতাল থেকে খুলনার দূরত্ব ৮৪ কিলোমিটার সেই হিসেবে খুলনা যাতায়াতের ভাড়া আসে ১৬৮ কিলোমিটারে ১৬৮০ টাকা। তবে সরকারী এ হিসেবে কোন হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সেই ভাড়া রাখা হয়না। কয়রা (জায়গীরমহল) হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আঃ সালামের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা খামখেয়ালী ও দূর্ণীতির অভিযোগ। ড্রাইভার আঃ সালাম হাসপাতালের বাইরেই থাকেন বেশি। সেক্ষেত্রে সুবিধা হলো- এ্যাম্বুলেন্সের জন্য তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রজেক্ট ড্রাইভার লিটনকে দিয়ে পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী খুলনায় পাঠাবার ব্যবস্থা করেন। তবে লিটনের ভাড়া ৩০০০ টাকা বলে জানিয়ে দেন ড্রাইভার আঃ সালাম। তাছাড়া ড্রাইভার আঃ সালাম নিজেও খুলনার ভাড়া রাখেন কমপক্ষে ২০০০ টাকা। গতকাল সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখার সময় মোবাইলে কথা হয় এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আঃ সালামের সাথে। এ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন বলা হলে তিনি বলেন, আমিতো খুলনায়, দেখি লিটন কোথায় আছে। পরক্ষণে আঃ সালাম জানান, লিটন যাচ্ছে, ভাড়া ৩০০০ টাকা দিবেন। ভাড়া এত বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন অযুহাত খাড়া করেন। এ প্রসঙ্গে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সুজাত আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি যে কত কিলোমিটার চড়বেন সরকারী ভাড়া যা তাই দিবেন। প্রশ্ন হলো- কতজন এই ধরণের কমপ্লেন করতে পারেন ?####






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • নান্দাইলে মার্কেটে আগুন
  • মিরপুরে বাসা থেকে বৃদ্ধা ও গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
  • শার্শায় জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • শাহজালালে সাড়ে ৮ কেজি সোনাসহ যাত্রী আটক
  • চিরিরবন্দরে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
  • বেনাপোল সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় বিএসএফ সদস্য আটক : পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে হস্তান্তর
  • কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
  • মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্দ্যোগে বৃদ্ধাশ্রমে শীত বস্ত্র বিতরন
  • Leave a Reply