৭ অক্টোবরের হামলায় হামাসের ছয় নেতাকে দায়ী করলো যুক্তরাষ্ট্র
নিউজ ডেস্ক :: আন্তজার্তিক ডেস্ক:গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভূখণ্ডে নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর দায়ে হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার সহ ছয় উচ্চপদস্থ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
দেশটির অভিযোগ হচ্ছে হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের এসব নেতাদের সাথে ৭ অক্টোবরের হামলার সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ ছয়জন শীর্ষ হামাস নেতার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে। তাদের মতে এক বছর আগের ওই নজিরবিহীন হামলায় হামাসের শীর্ষ ছয়জন নেতা দায়ী।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, ৭ অক্টোবরের হামলায় হামাস নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রথম পদক্ষেপ। যদিও অভিযুক্ত ছয় হামাস নেতার তিন জনই এখন মৃত।
আর অন্যদিকে সিনওয়ারকে খুব সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে করেনা মার্কিন প্রশাসন। তাদের ধারণা তিনি গাজা উপত্যকার কোথাও অজানা কোনো সুড়ঙ্গে লুকিয়ে রয়েছেন। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় মার্কিন বিচারক মেরিক গারল্যান্ড বলেছেন, ‘অভিযুক্তরা মার্কিন নাগরিককে হত্যা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিপন্ন করার জন্য দশকব্যাপী অভিযান পরিচালনার জন্য দায়ী।’
এছাড়া অভিযুক্ত হামাস নেতারা গাজায় বেসামরিকদের হত্যা এবং এই হত্যাকাণ্ড সমর্থনের দায়ে অভিযুক্ত বলেও জানিয়েছেন মার্কিন ওই বিচারক। ৭ অক্টোবরে ইসরাইলের ওপর হামাসের হামলায় যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা হলোকাস্টের পর ইহুদিদের ওপর সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেছেন মরিক গারল্যান্ড।
কয়েক দিন আগে গাজার দক্ষিণের শহর রাফার একটি সুড়ঙ্গ থেকে ছয় জিম্মির মৃতদেহ উদ্ধার করে ইসরাইল। এদের মধ্যে হার্শ গোল্ডবার্গ নামের এক মার্কিন নাগরিকের মৃতদেহ পাওয়া যায়। মূলত এর পরেই যুক্তরাষ্ট্র হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছে। সূএ::নিউজ ডেস্ক …
সম্পর্কিত সংবাদ
এক মিনিটের মধ্যে খামেনিসহ ৩০ নেতা নিহত হন: ইসরায়েলি গণমাধ্যম
সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ইরানের মোট ৩০ জন জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার দাবি করেছেবিস্তারিত…
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর তথ্য জানানো হলেওবিস্তারিত…


