ডুমুরিয়ায় বিরামহীন ভাবে চলছে বোরো সংগ্রহ , সুবিধার আওতায় শতকরা ৩ জন কৃষক

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে বিরামহীন ভাবে চলছে বোরো ধান সংগ্রহের কাজ। বোরো সংগ্রহ মৌসুমে ধান ক্রয় কর্মসূচীতে শতকরা ৩জন কৃষক স্থান পেয়েছে,বঞ্চিত হয়েছে সিংহভাগ কৃষক। এ নিয়ে সুবিধাভোগী ও বঞ্চিত উভয় কৃষকের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সুবিধাভোগীরা পর্যাপ্ত ধান দিতে না পারায় ও বঞ্চিত কৃষকেরা সুবিধার আওতায় আসতে না পারায় উৎপাদিত ধান নিয়ে পড়েছে মহা বিপাকে। এ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই সরকারের এমন আলোচনা ও সমালোচনায় রয়েছে গোটা কৃষক পরিবার। আশু সকল কৃষক যেন পর্যাপ্ত ধান বিক্রি করতে পারে এমনটি দাবি তাদের। অন্যথায় তারা বোরো আবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে বলে জানিয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার মোসাদ্দেক হোসেন জানান,ডুমুরিয়ায় ৫৯ হাজার ৮ শত ৬৮জন কৃষক রয়েছে। যারা এ বছর ২১ হাজার ৩‘শ ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করেছে। এতে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮‘শ ৫০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে।এ বছর বোরো আবাদ বেশ ভাল বলে তিনি জানান। বোরো মৌসুমে ধান ক্রয় কর্মসূচী নিয়ে কথা হয় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুজিত মুখার্জীর সাথে। তিনি জানান,উপজেলা বোরো ধান ক্রয় কমিটির সিন্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ টাকা কেজি মূল্যে ১ হাজার ৯‘শ ৭১ জন কৃষকের নিকট থেকে ৩‘শ ৫০ কেজি করে সর্বমোট ৬‘শ ৯১ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ধান ক্রয় নিয়ে কথা হয় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের সাথে। তিনি জানান,২৯মে থেকে বিরামহীন ভাবে বোরো সংগ্রহ কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে। বোরো আবাদ, ধানের মূল্য ও কেমন আছে ডুমুরিয়ার কৃষক এমনটি জানতে চেয়ে কথা হয় খলসি এলাকার কৃষক মাহাবুর বিশ্বাস,শোলগাতিয়া এলাকার আবুল কালাম মোল্যা,সুবিধা বঞ্চিত কৃষক শোভনা এলাকার ইলিয়াজ সরদার,হাসানুর ফরিক,এরশাদ শেখ,চহেড়া এলাকার আঃ রশিদসহ অনেকের সাথে। তারা সরকারের প্রতি ক্ষোভ ও সমালোচনা করে বলেন উৎপাদিত ধান নিয়ে আমরা বড় বিপাকে আছি। এক মন ধান উৎপাদন খরচ যেখানে ৭ থেকে ৮শ টাকা, সেখানে বিক্রি মুল্য মাত্র ৫‘শ থেকে ৬‘শ টাকা। তা হলে কৃষক বাঁচবে কি করে ? এমন প্রশ্ন করে তারা বলেন এ নিয়ে যেন সরকারের কোন মাথা ব্যাথা নেই। শত কষ্টের মধ্যে যখন জানতে পারলাম ২৬ টাকা কেজি মুল্যে ধান ক্রয় করা হবে, তখন কিছুটা আশার আলো দেখেছিলাম। কিন্তু এখন এসে দেখছি মাত্র ৩‘শ ৫০ কেজি করে ধান বিক্রি করা যাবে। তাহলে কি লাভ হল, আর কি এমন সুবিধা হবে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। তারা আরো জানান সকলেই তো কৃষক কেউ বিক্রির সুযোগ পাবে, আর কেহ পাবে না, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখ জনক। আমরা চাই সকলে যেন সুবিধার আওতায় আসে এবং পর্যাপ্ত ধান সংগ্রহ করা হোক। বাজার মুল্য বৃদ্ধি না হলে আমরা আর বোরো আবাদ করবো না। দেখবো দেশ কি ভাবে বাঁচে। ####






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, বর-কনেসহ নিহত ৯
  • ঝিকরগাছায় দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম গতিশীলকরণে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
  • ঝিকরগাছার কায়েমকোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
  • ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং আতাইকুলা শাখার ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালন
  • না’গঞ্জের রূপগঞ্জে বিফলে গেল সরকারের ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা
  • পাবনা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে হেভিওয়েট প্রার্থী ইঞ্জি. রুহুল আমিন
  • পীরগঞ্জে বিএমএসএফ এর ৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত
  • পাইকগাছায় দৈনিক যায়যায়দিনের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
  • Leave a Reply