আশাশুনিতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

আশাশনি প্রতিনিধি : আশাশুনিতে ৪০ তম বিশ^ জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। দিবসের শুরুতে সকাল ১০.৩০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আশাশুনি প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিআরডিবি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। “জন সংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কুমার ব্যানার্জী, সিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, আরডিও বিশ^জিৎ কুমার ঘোষ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপংকর কুমার সরকার, প্রধান শিক্ষক কামরুল নাহার কচি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী রতœা রানী রায়, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল-কাফী, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা অন্তরা আফরোজ, শ্রেষ্ঠ উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নুরুন নাহার, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কাদাকাটি এবং শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসাবে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদকে পুরস্কৃত ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। #####

আশাশুনির নওয়াপাড়ায় বেড়ীবাঁধ পাইলিংয়ের কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ী বাঁধ ভাঙ্গন রক্ষার্থে পাইলিংয়ের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা কাজে অনিয়ম, নি¤œমান ও নির্ধারিত পরিমাপের কমে বল্লি ও বাঁশ ব্যবহার করায় কাজ বন্দ করে দিয়েছে। নওয়াপাড়া গ্রামে পাউবো’র বেড়ী বাঁধের অবস্থা খুবই শোচনীয়। বাঁধটি রক্ষার্থে ২০০ মিঃ দীর্ঘ ভাঙ্গন কবলিত বাঁধে পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী বল্লির লম্বায় ৩ ভাগের এক ভাগের উপরে ১৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধ থাকার কথা থাকলেও অনেক বল্লি ১৮ ইঞ্চির অনেক কমে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রত্যেক বল্লির লম্বা ৪ মিঃ অর্থাৎ ১৩ ফুট হওয়ার কথা থাকলেও মাঝে মধ্যে ১০ ফুট থেকে ১৩ ফুটের কম লম্বা বিশিষ্ট বল্লির ব্যবহার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বাঁকা বল্লির ব্যবহারে নিষেধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে মানা হচ্ছেনা। বল্লির মাঝখানে ৪টি করে বাঁশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কোন কোনটিতে ৩টি করে বাঁশ দেওয়া হচ্ছে। বাঁশ কমপক্ষে ৯ ফুট লম্বা হওয়ার কথা এবং ৯ ফুটের মধ্যে সাড়ে ৬ ফুট মাটির নীচে ঢোকানোর কথা এবং আড়াই ফুট উপরে রাখার কথা থাকলেও ৮ ফুট ও ৯ ফুটের কম লম্বা বাঁশও ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষে গোলাম হোসেন গাজীসহ অন্যরা নি¤œমান ও নিয়মকে তুয়াক্কা না করে কাজ চলতে থাকায় বাধা প্রদান করেন। ফলে অনিয়মে কাজ বাধা গ্রস্ত হলেও তাদের অনুপস্থিতির সময় নিয়ম বহির্ভূত মালামাল ব্যবহার করে কাজ চালান হচ্ছে বলে তারা জানান। কাজ দেখে নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বা তাদের দায়িত্ব প্রাপ্ত কাউকে এলাকাবাসী পাচ্ছেনা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১.৩০ টার দিকে কাজের স্থানে সাংবাদিক গেলে তাদের কাজের অনিয়ম প্রমানিত হয়। এব্যাপারে ইঞ্জিঃ আমান উল্লাহর সাথে মোবাইলে কথা বলেলে তিনি জানান, সেখানে গিয়ে খাট, ছোট ও বাঁকা অনেকগুলো বল্লি বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১৩ ফুট লম্বা বল্লি, বল্লির ব্যাসার্ধ নীচ থেকে উপরের দিকে ৩ ভাগের এক ভাগের পর থেকে কমপক্ষে ১৮ ইঞ্চি হতে হবে। আকাঁবাক বল্লি ব্যবহার করা যাবেনা। বাঁশ ৯ থেকে ১০ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। এক বল্লি হতে অন্য বল্লির মাঝে ৪টি করে বাঁশ পুততে হবে। এর ব্যত্যয় হলে তা ব্যবহার করতে দেওয়া যাবেনা। নিয়ম বহির্ভূত বল্লি ও বাঁশ তিনি নিজের হাতে বেছে নিয়ে বাদ দিয়ে এসেছেন বলে জানান। তিনি স্থানীয়দের কাজ দেখে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। #####


আশাশুনিতে নিষিদ্ধ-মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল জব্দ ও বিনষ্ট

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে বিনষ্ট করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা উপজেলার বুধহাটা, বদরতলা, শ্রীউলা, হাড়ীভাঙ্গাসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় এসব স্থানে দোকানে তল্লাসী চালিয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কনফিডেন্স ও মুস্কান লবণ, রাধুনির ধনিয়া ও জিরা গুড়া, টেস্টি ধনিয়া ও জিরার গুড়া, পুষ্টি আটা ও সরিষার তেল, বিস্কুট, ড্রিংকস, চিপস, পানি জব্দ করেন। এসময় স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের সহকারী মোক্তারুজ্জামান স্বপন উপস্থিত ছিলেন। বদরতলা বাজারে হালিমা স্টোরের মালিক কামরুল ইসলাম এর দোকান হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামাল জব্দ করার পর দোকানদার সমস্ত মালামাল ছিনিয়ে নেন। এবং জব্দকারী সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকী ধামকী ও অপমানিত করেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হলে ইউএনও ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজার নির্দেশে দোকানীকে জব্দকৃত মালামাল নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার মধ্যে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে হাজির হতে মৌখিক নোটিশ করা হয়েছে। #####

আশাশুনির বদরতলায় জব্দকৃত মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বদরতলা বাজারে নিষিদ্ধ পণ্য ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামালের কেনাবেচা বন্দ ও আইন অমান্য রোধে অভিযান পরিচালনাকালে জব্দকৃত মালামাল ছিািনয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বদরতলা বাজারের হালিমা স্টোরে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা ভেজাল, নিষিদ্ধ পন্য ও মেয়াদ উত্তীর্ণ দ্রব্য সামগ্রী বেচা কেনা বন্দ, মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে চলেছেন। এরই অংশ হিসাবে বুধবার বদরতলা বাজারে অভিযান চলাকালে হালিমা স্টোরে উপস্থিত হয়ে বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ও মাহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কনফিডেন্স ও মুস্কান লবণ, রাধুনীর গুড়া ধনিয়া ও জিরা, টেস্টি ধনিয়ার গুড়া, পুষ্টি আটা ও সরিষার তেল, মধুমতি লবণসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেন। জব্দ তালিকা করার পর দোকান মালিক বজলুর রহমানের পুত্র কামরুল ইসলাম কর্মকর্তা ও তার সহযোগিদের উপর চড়াও হয়ে জব্দকৃত মালামাল ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় বাজার এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। চরম ভাবে আইন অমান্য করা এবং আদালতের নির্দেশ ও সরকারের আদেশ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষকে আইন অমান্য করতে উৎসাহিত করার মত জঘন্য ঘটনায় দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ তার সঙ্গীসাথীগণ কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়েন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হলে ইউএনও ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজার নির্দেশে দোকানীকে জব্দকৃত মালামাল নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ইউএনও আশাশুনির কার্যালয়ে হাজির হতে মৌখিক নোটিশ করা হয়। কিন্তু উক্ত দোকানী বৃহস্পতিবার অফিস টাইম শেষ হলেও উপজেলা পরিষদে হাজির হয়নি বলে জানাগেছে। #####






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • আশাশুনিতে ১৮টি গৃহ নির্মান সম্পন্ন ॥ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন ১৩ অক্টোবর
  • কুল্যার রুহুল আমিন ৭০ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতার সুযোগ পাননি
  • গুনাকরকাটি টু তেঁতুলিয়া সড়কে ভাঙ্গন রোধে উদ্যোগ নেয়নি কেউ
  • বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ গঠন
  • আশাশুনিতে সংযোগ তৈরি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • কুল্যায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সালামের মতবিনিময় সভা
  • আশাশুনিতে মা ইলিশ ধারা ও ক্রয়- বিক্রয় বন্দ সংক্রান্ত প্রচার
  • কাদাকাটিতে শারদীয় দুর্গোসবের আড়ম মেলা অনুষ্ঠিত
  • Leave a Reply