ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হরমুজ প্রণালী কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমান উপসাগরে দুটি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে। কিন্তু ইরান তাকে ভিত্তিহীন এবং উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেছে।সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক ::মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমান উপসাগরে দুটি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে। কিন্তু ইরান তাকে ভিত্তিহীন এবং উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেছে।

যেখানে এই ঘটনাগুলো ঘটছে, সেটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ। এই পথটি হরমুজ প্রণালী হিসেবে পরিচিত।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।

হরমুজ প্রণালীর একদিকে আছে আরব দেশগুলো। এসব দেশের মধ্যে আমেরিকার মিত্র দেশগুলো রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর অন্য পাশে রয়েছে ইরান।

হরমুজ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ যে অংশ সেখানে ইরান এবং ওমানের দূরত্ব মাত্র ২১ মাইল। এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

হরমুজ প্রণালী সংকীর্ণ হতে পারে। কিন্তু জ্বালানী তেল বহনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ চলাচল করার জন্য হরমুজ প্রণালী যথেষ্ট গভীর এবং চওড়া।

পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। এই প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন এক কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়।

মালাক্কা প্রণালী দিয়ে জ্বালানী তেল রপ্তানি হয় এক কোটি ৬০ লাখ ব্যারেল এবং সুয়েজ খাল দিয়ে প্রতিদিন ৫৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়।

হরমুজ প্রণালী হচ্ছে ইরানের জ্বালানী তেল রপ্তানির প্রধান রুট। ইরানের অর্থনীতির জন্য এটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের মোট রপ্তানি আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ আসে জ্বালানী তেল রপ্তানির মাধ্যমে।

২০১৭ সালে ইরান ৬৬০০ কোটি ডলারের তেল রপ্তানি করেছে। ইরানের উপর আমেরিকা নতুন করে যে অবরোধ দিয়েছে তাতে তারা মোটেও খুশি নয়।

ইরান বলেছে, তাদের তেল রপ্তানিতে আমেরিকা যদি বাধা দেয়, তাহলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে কোন তেল রপ্তানি করা যাবেনা। ইরান বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যত তেল পরিবহন করা হবে সেটি তারা বন্ধ করে দেবে।

১৯৮০`র দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় এ ধরণের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় ইরাক এবং ইরান পরস্পরের তেল রপ্তানি বন্ধ করতে চেয়েছিল। তখন জ্বালানী তেল বহনকারী ২৪০টি তেলের ট্যাংকার আক্রান্ত হয়েছিল এবং ৫৫টি ডুবে গিয়েছিল।

আর এখন যদি ইরান তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তাহলে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি



(পরবর্তী র্সবাদ ...) »



সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • বিজেপি নেতার হুঙ্কার: পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব বাংলাদেশিকে পাঠিয়ে দেয়া হবে
  • ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর, ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে ২ পাক সেনা নিহত
  • ৩৯ দিন পর কাশ্মীরে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের ঘোষণা ভারতের
  • হোয়াইট হাউজে আড়ি পেতেছিল ইসরাইল; ব্যবস্থা নেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন
  • ভারতে গণেশ বিসর্জন দিতে গিয়ে প্রাণ বিসর্জন ১৩ জনের
  • লাদাখে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ
  • ইরাকে তাজিয়া মিছিলে পদদলিত হয়ে নিহত ৩১
  • আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করলো উত্তর কোরিয়া
  • Leave a Reply