কক্সবাজারে ঠাঁই নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, তবুও যেন কক্সবাজারে আগত পর্যটকরা ‘বাঁধনহারা’। এই ঈদেও পর্যটন রাজধানীতে ভিড় করেছেন লাখো পর্যটক। ছুটি শেষ হলেও অনেকে এখনো অবস্থান করছেন সমুদ্রতীরে। জেলার অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও ভিড় লক্ষনীয়। যেন পা ফেলার জায়গা নেই কোথাও।
বেড়াতে আসা পর্যটকদের সেবা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। আর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক কাজ করছে টুরিস্ট ও জেলা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন।

এদিকে সাগর এখনো উত্তাল। তাই পর্যটকদের সমুদ্রস্নানে বার বার সতর্ক হওয়ার পরামর্শ লাইফ গার্ড কর্মীদের। কিন্তু উত্তাল পর্যটকরা সতর্ক বার্তা মানতে নারাজ! আনন্দ আর উচ্ছাসে মাতোয়ারা পুরো সাগর তীর। যেন সাগর তীরই তাদের কাছে সবকিছু।

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা ফারহানা বলেন, হালকা বৃষ্টি। এই সময়ে কক্সবাজারকে আরো মোহনীয় লাগে। তাই এখনো আমরা সাগরপাড়ে অবস্থান করছি। তবে পর্যটক বেশি হওয়ায় মজাটা একটু কম।

গত কয়েকদিন কয়েকটি হোটেল-মোটেল জোনে ‘নৈরাজ্যকর’ অবস্থা দেখা গিয়েছে। এদিকে এই বিপুল সংখ্যক পর্যটকের জন্য কক্সবাজার শহরে থাকার মতো পর্যাপ্ত আবাসিক হোটেল নেই। ফলে বেশ কয়েক বছরের মতো এবারো বিভিন্ন জায়গায় পর্যটকদের রাত যাপনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পর্যটন সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, পর্যটক হয়রানি বন্ধে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় মূল্য তালিকা টাঙ্গানোর নির্দেশনা আগেই দেয়াছিল। সমুদ্র সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ ১১টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে তথ্য কেন্দ্র (ইনবক্স)। পাশাপাশি দেয়া হয়েছে একটি হটলাইন নম্বর (০১৭৩৩৩৭৩১২৭)। যে কোনো অভিযোগ এখানে করতে পারবে পর্যটকরা। হটলাইনের সেবা নিয়ে বেশ কয়েকজন পর্যটক হয়রানির বিচার পেয়েছেন। জরিমানা করা হয়েছে কয়েকটি রেস্তোরা ও হোটেলকে। ###



(পরবর্তী র্সবাদ ...) »



সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করুন: ভিপি নুর
  • ৩য় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার
  • ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালে কমছে রোগী
  • উদ্যোক্তা হলে জামানত ছাড়াই পাবে ৫ কোটি টাকা ঋণ
  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১৭০৬
  • চামড়া শিল্পে কোনো সমস্যা নেই, সব সমাধান হয়েছে : শিল্পমন্ত্রী
  • ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ১৩ দিনে যাত্রাপথে নিহত ২৫৩, আহত ৯০৮
  • Leave a Reply