দেশে মোবাইল ফোন সরবরাহ কমেছে ১৭%

বৈশ্বিক শ্লথ প্রবৃদ্ধির জেরে বাংলাদেশের বাজারেও কমেছে মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোন সরবরাহ। আন্তর্জাতিক ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বাজারে মোবাইল ফোন সরবরাহ করে দুই কোটি ৮৫ লাখ ইউনিট, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। ২০১৮ সালে স্মার্টফোন সরবরাহ করে ৬৯ লাখ ইউনিট, যা ২০১৭ সালের ৮১ লাখ ইউনিট থেকে ১৫ শতাংশ কম।

‘এশিয়া প্যাসিফিক কোয়ার্টারলি মোবাইল ফোন ট্র্যাকার, কিউ৪ ২০১৮’ শীর্ষক আইডিসির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১৮ সালে প্রথম বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ফিচার ফোনের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক। যদিও বাজারে ফিচার ফোনের আধিক্যই বেশি। ২০১৮ সালে দেশের বাজারে ফিচার ফোন আসে দুই কোটি ১৬ লাখ ইউনিট, যা মোট বাজারের ৭৬ শতাংশ। ২০১৭ সালে ফিচার ফোন আসে দুই কোটি ৬১ লাখ ইউনিট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের শুরুতেই বাংলাদেশে ফোরজি সেবা চালু করা হয়েছে। কিন্তু সীমিত নেটওয়ার্ক ও ফোরজি সক্ষম হ্যান্ডসেটের দাম বেশি হওয়ায় বছরজুড়ে এর চাহিদা ছিল কম। এ খাতে শুল্ক বাড়ায় মোবাইল ফোন কম্পানিগুলোকে দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্যও লড়াই করতে হচ্ছে।

২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে প্রবৃদ্ধি আসে মাত্র ২ শতাংশ। এর মধ্যে ভালো প্রবৃদ্ধি করেছে অ্যানড্রয়েড গো সংস্করণ। বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অ্যানড্রয়েড গো স্মার্টফোনের বাজার ২৯ শতাংশ থাকলেও চতুর্থ প্রান্তিকে তা বেড়ে হয়েছে ৪৩ শতাংশ। এতে প্রান্তিক প্রবৃদ্ধি বাড়ে ৫১ শতাংশ। চতুর্থ প্রান্তিকে এ বাজারে শীর্ষ ভূমিকা রেখেছে সিম্ফনি। গো স্মার্টফোনে সিম্ফনির অংশীদারি ৩৯ শতাংশ।

সিম্ফনি : চতুর্থ প্রান্তিকে দেশের মোবাইল ফোন বাজারে ২২ শতাংশ অংশীদারি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করেছে সিম্ফনি। ২০১৮ সালের বছরজুড়েই এ কম্পানির আধিপত্য ছিল। তবে চতুর্থ প্রান্তিকে এ কম্পানির মোবাইল ফোন সরবরাহ ৩% এবং এক বছরে কমেছে ২০%।

ট্র্যানশান : দেশের স্মার্টফোন বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান ট্র্যানশনের। চতুর্থ প্রান্তিকে বাজার ছিল ১২%। এ কম্পানি স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন সংযোজন শুরু করলেও বাজারে সরবরাহ কমেছে আগের বছরের তুলনায়।

শাওমি : স্যামসাংকে সরিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে শাওমি। বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে এ কম্পানির বাজার অংশীদারি বেড়ে হয়েছে ৮.২০ শতাংশ। মোবাইল ফোন সরবরাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

স্যামসাং : বাংলাদেশের বাজারে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে বিশ্বের শীর্ষ মোবাইল ফোন কম্পানি স্যামসাং। বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে এ কম্পানির বাজার অংশীদারি ছিল ৭.৯০%। ২০১৭ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের তুলনায় গত বছরের এ সময়ে কম্পানির মোবাইল ফোন সরবরাহ কমেছে ৩১%।

হুয়াওয়ে : বাজারে ৭.৬০ শতাংশ অংশীদারি নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে হুয়াওয়ে। গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে এ কম্পানির মোবাইল ফোন সরবরাহ বেড়েছে ৪ শতাংশ।






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • সোমবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে
  • সব ধরনের ঋণে ৭ শতাংশ সুদ: অর্থমন্ত্রী
  • হু হু করে দাম বাড়ছে বিভিন্ন পণ্যের
  • গ্যাসের দর বাড়লে পোশাক খাতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কা
  • বেনাপোলে বানিজ্যিক ভাবে শুরু হয়েছে বেদানা ফলের চাষ
  • নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ১৮৫ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
  • ২০৩০ সালের মধ্যেই এসডিজি অর্জন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • Leave a Reply