খুবিতে বাঙালিয়ানার স্বীকৃতি পেল সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন

satkhira-news-logo-original-900

নাসির উদ্দীন,খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় :: বাঙালিয়ানার স্বীকৃতি স্বরুপ প্রথম স্থান অধিকারর করল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন।

এবারের বৈশাখী উৎসবের স্লোগান ছিল “ঐ ডাকে শাঁকে ঢাকে, এসো মাতি বৈশাখে” ১লা বৈশাখ, বাঙালি জাতির চিরন্তন উৎসবের দিনটি বেশ ঘটা করে পালিত হল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ।দিনের শুরুতে ভাইস চ্যান্সেলর ড.ফায়েক উজ্জামানের নেতৃত্বে নগরীর শিববাড়ী মোড় থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে শুরু হয় দিনের কার্যক্রম।ক্যাম্পাসে এসে র‍্যালী শেষে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন মাননীয় ভিসি মহোদয়। দিনভর নানা আয়োজনে ক্যাম্পাস ছিল মুখরিত। সেজেছিল গ্রাম্য রীতিনীতির এক অপুর্ব সাজে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও চলে পশ্চিমা সংস্কৃতির আড়ালে ঢাকা বাঙালি সংস্কৃতির সন্ধান। দিন শেষে বাঙালিয়ানার স্বীকৃতি মেলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসি মহোদয়ের হাত থেকে সেরা স্টলের পুরস্কার গ্রহন করে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের “কিষাণ কুটির”। এসময় আনন্দে মেতে উঠেন সমাজবিজ্ঞান পরিবার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আয়োজক কমিটি বলেন ” আমরা আমাদের কষ্টের স্বীকৃতি পেয়েছি।আমরা চেয়েছিলাম একজন কৃষক কি ভাবে তার জীবন অতিবাহিত করেন সেটা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলতে।আমাদের হারানো সংস্কৃতি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে।”তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রতন বলেন ” আমরা সবাই চেয়ে ছিলাম আমাদের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি-ঐতিহ্য সম্পর্কে তরুন প্রজন্মকে জানাব। সাথে সাথে নতুন আইডিয়া কাজে লাগিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে”।

সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন” আমাদের শিক্ষার্থীরা গ্রামবাংলার আবহমান ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার স্বীকৃতি পেয়েছে। তারা যে শুধু আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে সেটা বলা যাবে না কারন আজ এখানে যে সব খাদ্যসামগ্রী বা কারুকাজ তুলে ধরা হয়েছে তার কোনটি আধুনিক যন্ত্রের দ্বারা নয় বরং তাদের নিজ হাতে তৈরী করা।”

সমাজ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক সমাজবিজ্ঞানী তানভীর হোসেন বলেন ” আমরা বাঙালিয়ানার বৈশিষ্ট ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি এবং পুরস্কার পেয়ে ভাল লেগেছে এই ভেবে যে আমরা সফল হয়েছি।” সহকারী অধ্যাপক সমাজবিজ্ঞানী শাহারিয়ার রহমান রাজু বলেন ” পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসব,কিষান কুটির মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা পুরাপুরি সফল হয়েছে তরুন প্রজন্মের সাথে গ্রাম্য কৃষকগোষ্ঠীর জীবন এবং জীবিকার পরিচয় করিয়ে দিতে।

উল্লেখ্য: এবছর আয়োজক ছিলেন “১৪ব্যাচ। এর আগে পরপর দুই বার(“১১এবং”১২ ব্যাচ)প্রথম স্থান অর্জন করে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • আশাশুনি আন্তর্জাতিক বই দিবস পালন
  • কাশিমাড়ীতে পাঠাভ্যাসের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান
  • নুরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠাভ্যাসের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত
  • সরকারি হলো কালিগঞ্জ কলেজ, এমপিকে কলেজ কর্তৃপক্ষের অভিনন্দন
  • আশাশুনি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতিবাদ ও নিন্দা
  • ইবিতে পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত
  • সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি গঠণ
  • ভাস্কর্য তছনছে তোলপাড় রাবি