খালেদা জিয়া সরকারের আমলেই দেশে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদের প্রভাব বিস্তার ঘটে : নাসিম

1

মারুফ সরকার,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :: স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম বলেছেন,খালেদা জিয়া সরকার আমলেই দেশে সন্ত্রাস ,জঙ্গীবাদ ও মাদকের প্রভাব বিস্তার ঘটে। তার আমল থেকেই বাংলা ভাইয়ের উৎপত্তি হয়েছিল। সেই সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ ঠেকাতে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার ও পুলিশ সদস্যরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে । রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা পুলিশের আয়োজিত কমিউনিটি পুলিশিং মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ এ শ্লোগান বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে । তাহলে দেশের সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ, মাদক ও বাল্যবিয়ে আরো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে । এজন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ কর্মকর্তাদের কমিউনিটি পুলিশ সদস্যদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। যেন ছোটখাট অপরাধগুলো তারাই ব্যবস্থা নিতে পারে ।

যারা ধর্মের নামে মানুষকে বুঝায় তারাই শোলাকিয়ার ইদগাহ মাঠে জঙ্গী হামলা করে ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতার জন্য ৭১ মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দেয়া হয় ও হচ্ছে। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে । দেশ এখন উন্নয়নে ছেয়ে গেছে ।এজন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ববাসী ধন্যবাদ জানাচ্ছেন । এজন্য আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বদনাম না হয় সেজন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান ।এ সমাবেশের প্রধান বক্তা পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন,একটি মহল জঙ্গিবাদের পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছে। পুলিশ জঙ্গিদের হত্যা করতে চায় না। তারা বলছেন আমরা নাকি জঙ্গি নিয়ে খেলা করছি। সব বিষয়ে বিবৃতি দেয়া যায় না। জঙ্গিবাদ নিয়ে কোনো রাজনীতি করবেন না। এটা দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়, সাবধান করেন তিনি।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে পার্বত্য শান্তিচুক্তি করেছিল। তখন ওই মহল প্রকাশে মিটিংয়ে বলেছিলেন শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে। ২০১৩ সালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে এমন মিথ্যাচার করে তারা দেশব্যাপী নাশকতা সৃষ্টি করেছিল।আইজিপি আরো বলেন, জনগণ ও পুলিশ এক সঙ্গে কাজ করার যে সংস্কৃতি তাই হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং। হাজার হাজার অভিযান চালিয়ে, কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের গ্রেফতার এবং হাজারও মামলা দিয়েও মাদকের ভয়াবহতা রোধ করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও নাগরিকদের দায়িত্ববোধ সৃষ্টিতে কাজ করবে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা।থানা থেকে টাউট-বাটপার ও দালালদের সরানের আহবান জানা।

সমাবেশে পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,স্থানীয় এমপি ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না,এমপি আমজাদ হোসেন মিলন,এমপি সেলিনা বেগম স্বপ্না,রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি এম খুরশীদ আলম,র‌্যাব ১২’র সিও মোঃ শাহাবুদ্দিন,জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা এবং অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,জেলা কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ক এ্যাডঃ বিমল কুমার দাস,ডঃ জান্নাত আরা তালুকদার হেনরি,হেলাল উদ্দিন,সাইদুর রহমান মাষ্টার,আব্ জাফর মন্ডল,খাইরুল রহমান প্রমুখ ।

এ সমাবেশে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশিং ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক,সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, মসজিদের ঈমাম এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাসহ প্রায় অর্ধলক্ষ নারী ও পুরুষ অংশ গ্রহন করেন।






সঙ্গতিপূর্ণ সংবাদ

  • বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে আরেকটি সেতু হবে : রেলমন্ত্রী
  • সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ সমস্যা সমাধান হতে পারে : ফখরুল
  • রাজনৈতিক ফায়দা নিতেই জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করছে সরকার : ফখরুল
  • ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি হবে আত্মঘাতী : রিজভী
  • বিএনপি ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিন খেলে : প্রধানমন্ত্রী
  • বঙ্গবন্ধুর পরে শেখ হাসিনার মত দেশপ্রেমিক কেউ নেই : নাসিম
  • কাজে অবহেলা পেলে ছাড় দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী