শিশুরা যেন বিপথে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

170689_1

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিশুরা যেন বিপথে না যায় সে বিষয়ে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ নজর দিতে হবে’।

তিনি বলেন, ‘তারা যেন জঙ্গি ও মাদকাশক্ত হয়ে না পড়ে। তারা শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকছে কী না- সে বিষয়ে শিক্ষকদের খোঁজ রাখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। কি কারণে তারা অনুপস্থিত সে বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু শিক্ষা নয়, ধর্মীয় শিক্ষাকেও আমরা বাধ্যতামূলক করেছি। কিন্তু ধর্মান্ধতা যেন না আসে। আমাদের ধর্ম ইসলাম অত্যন্ত পবিত্র ধর্ম, শান্তির ধর্ম। এই ধর্ম কাউকে খুন করার অধিকার দেয়নি’।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ১৭ মার্চ শুক্রবার বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয় আয়োজিত শিশু সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘প্রত্যেক ধর্মের মর্মবাণী হল শান্তির বানী প্রচার করা। কাজেই যে যে ধর্মই গ্রহণ করুক না কেন, সবাইকে মাথায় রাখতে হবে– যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। ধর্মে সব সময় শান্তি, ভাতৃত্ব, সৌহার্দ্যের কথা বলা হয়েছে। সেটা সকলকে মেনে চলতে হবে’।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশব থেকেই পরোপকারী ছিলেন জানিয়ে সমাবেশে আসা শিশুদের তা অনুসরণ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বড় হতে হবে। দেশের মানুষকে ভালবাসতে হবে।একদিন তোমরা দেশের কর্ণধার হবে। আমার মত প্রধামন্ত্রী হতে পার। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বড় হতে হবে’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে ধাপে ধাপে এ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। এই কাজ করতে গিয়ে জীবনে অনেক বছর তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন, বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়াতে হয়েছে তাকে। তিনি ছিলেন অদম্য সাহসী, নীতি ও লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে গেছেন’।

দাদীর কাছে শোনা বাবার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধু। বালক বয়স থেকেই তিনি মানুষের উপকারে বিভিন্ন কাজ করতেন। নিজের জামা, খাবার ও অন্যান্য ব্যবহার্য জিনিস অভাবি মানুষকে বিলিয়ে দিতেন। দুর্ভিক্ষের সময় বঙ্গবন্ধু তার বাবার গোলা থেকে ধান বিলিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানান শেখ হাসিনা’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার বদলে তাকে দেখতে জেলখানায় যেতে হয়েছে। কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ারা সময়ও বাবার সঙ্গে জেলে দেখা করতে হয়েছে’।

তিনি আরো বলেন, ‘জাতির পিতা চেয়েছিলেন, এ দেশের প্রতিটি শিশু শিক্ষিত হবে। আমরা সেই চেষ্টা করছি। প্রত্যেকটা শিশুর মাঝে সুপ্ত প্রতিভা রয়েছে, তা বিকাশের সুযোগ করে দিচ্ছি’।






সঙ্গতিপূর্ণ সংবাদ

  • দেশের সব কারাগারে ও বিমাবন্দরে সতর্কতা জারি
  • র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত ১
  • জঙ্গি নির্মূল হয়নি, নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুই মন্ত্রীর স্ত্রীসহ ৩ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
  • আদালতে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে না আনার নির্দেশ হাইকোর্টের
  • ‘বিএনপিকে কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না’
  • কার্যকর হলো জিটুজি প্লাস : মালয়েশিয়া গেলেন ৯৮ জন শ্রমিক