দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক গম্বুজের মসজিদ উদ্বোধন

169798_1

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক গম্বুজের মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে। মসজিদে নববীর আদলে নির্মিত এই মদিনা মসজিদে শুক্রবার প্রথম জুমার নামাজ আদায় করা হয়।

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চরখরিচা গ্রামে প্রায় ২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মদিনা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।

মসজিদ পরিচালনা কমিটি জানিয়েছেন, বৈদ্যুতিক সুইচ অন করলেই মাথার উপরের গম্বুজ সরে যাবে এবং মসজিদের ভেতর থেকে আকাশ দেখা যাবে। ৪ তলা বিশিষ্ট মসজিদের ভেতরে ১৯টি কাতার হবে। প্রতিটি কাতারে ১১০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। মসজিদের ৫টি গম্বুজের মধ্যে ৪টি স্থির এবং একটি বৈদ্যুতিক। উঁচু মিনার রয়েছে ২টি।

জানা যায়, ২০১১ সালে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বর্তমানে মসজিদটির ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। মসজিদের কারুকাজে ব্যবহৃত হয়েছে মারবেল পাথর আর কাঠ। কাঠগুলো আনা হয়েছে মিয়ানমার থেকে। ছয় দরজা বিশিষ্ট এ মসজিদে মুসল্লিদের উঠানামার জন্য একটি চলন্ত সিঁড়ি’সহ মোট পাঁচটি সিঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে মসজিদটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

এই মসজিদের উদ্যোক্তা মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির মাওলানা মাহমুদুল হাসান। তিনি তার জন্মস্থান চর খরিচার নিজ বাড়িতে মসজিদটির পাশে নিজ নামে একটি কওমি মাদরাসাও প্রতিষ্ঠা করেছেন।

মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, আল্লাহর প্রতি অপরিসীম মহব্বত ও ভালোবাসা থেকে আল্লাহর ঘর নির্মাণের উদ্যোগ আল্লাহ আমার মাধ্যমে শুরু করিয়েছেন। এর পেছনে অগণিত মুসলমান ধর্মপ্রাণ মানুষের শ্রম ঘাম রয়েছে।

এদিকে মসজিদের প্রথম জুম্মার নামাজ আদায়ের পূর্বে এক মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম একটি ব্যতিক্রমধর্মী মসজিদ নির্মান করায় উদ্যোক্তাদেরকে অভিনন্দন। আল্লাহর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ মসজিদ গুরুত্বপূর্ণ আবদান রাখবে। এ সময় তিনি ২ লাখ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা করেন।






সঙ্গতিপূর্ণ সংবাদ

  • জুমআর দিন মুসলমানদের জন্য অনেক মর্যাদাবান
  • শ্যামনগরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্ররে মহাপ্রয়াণ দবিস পালতি
  • আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত
  • বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
  • ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপে অংশ নিচ্ছেন ১৭ জেলার মুসল্লিরা
  • ইবাদতের লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা
  • ইজতেমায় ৮৯ দেশের ৮ হাজার মুসল্লি