সড়ক আইন কার্যকর, অপরাধ অনুযায়ী জরিমানা: ওবায়দুল কাদের

সড়ক আইন রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন আইনে জরিমানা ও শাস্তির পরিমাণ আগের আইনের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে।

তবে আমরা বেশি জরিমানা আদায় করতে চাই না। জরিমানা দেয়ার ভয়ে যেন সড়ক ব্যবহারকারীরা আইন মেনে চলেন, সেই পরিবেশ আমরা তৈরি করতে চাই।

রোববার ঢাকার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এআইইউবি) সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-এর ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বলা হচ্ছে যে- নতুন আইনে অনেক টাকা জরিমানা আদায় করা হবে, এটা ঠিক নয়। অপরাধের ধরন অনুযায়ী জরিমানা হবে। এটা এক হাজার টাকাও হতে পারে, আবার ২০-২৫ হাজার টাকাও হতে পারে। এ সময় পথচারী, পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের সড়ক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী- ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। এর পর প্রথম দুই সপ্তাহ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আইন প্রয়োগ না করার কথা জানিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। রোববার তিনি জানালেন, আইনের প্রয়োগ শুরু হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নতুন যে আইনটি আমরা করেছি, সেটির বাস্তবায়ন অনেক চ্যালেঞ্জিং। নানা ধরনের সমস্যা আছে। তবে আমি আশাবাদী, সব বাধা অতিক্রম করে আইনটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন আমরা করব। জরিমানা আদায় নয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরার প্রবণতা তৈরির পরিবেশকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ভোটের রাজনীতির কারণে তিন চাকার গাড়ি চলছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের ২২টি মহাসড়কে ইজিবাইক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারপরও অনেক সড়ক-মহাসড়কে ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) চলাচল করছে। স্থানীয়ভাবে অনেকেই ইজিবাইক চালকদের সমর্থন দেন।

এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও ইজিবাইক চলাচলে সমর্থন দেন। এই যে ইজিবাইকের কারণে মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, সেটার জন্য দায়ী ভোটের রাজনীতি। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সড়ক আইন অমান্য করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকায় হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচল আমরা অনেকটাই বন্ধ করতে পেরেছি। মানুষও এ বিষয়ে সচেতন হয়েছেন।

কিন্তু তারপরও মাঝে-মধ্যে দুই-একজনকে হেলমেট ছাড়াই মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। যারা এ ধরনের কাজ করেন, খোঁজ নিলে দেখা যাবে তারা কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

ভিআইপিরাও সড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে ভিআইপিরা উল্টোপথে চলাচল করেন।

একজনের সাময়িক সুবিধার জন্য অসংখ্য মানুষকে দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকা পড়ে কষ্ট করতে হয়। কিছুদিন ধরে এ প্রবণতা কমে এলেও এখনও অনেক ভিআইপি সড়ক আইন ভঙ্গ করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার, ভিসি ড. তফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • রাজাকারদের বিচারের আওতায় আনা হবে: আইনমন্ত্রী
  • বিজয় দিবসের জন্য প্রস্তুত স্মৃতিসৌধ
  • ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ
  • জিয়া ছিলেন মোস্তাকের সবচেয়ে বিশ্বস্ত: প্রধানমন্ত্রী
  • ১৬ ডিসেম্বর বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
  • শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল
  • বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা: ফোর্বস
  • Leave a Reply