উপগ্রহ চিত্রে চীনের বিশাল বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ তৈরির কর্মযজ্ঞ

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: প্রকাশিত উপগ্রহ থেকে তোলা এক ছবিতে দেখা গেছে, সাংহাইয়ের কাছে জিয়াংনান জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রে একটি বিশাল বিমানবাহী জাহাজ তৈরি করছে চীন। প্রকাশিত ছবিগুলো গত মাসের। কিন্তু বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এত বড় যুদ্ধজাহাজ তাদের কাছে আগে ছিল না। ওই নির্মাণকেন্দ্রের ছবি দেখে আরো বোঝা যাচ্ছে যে, শুধু ওই যুদ্ধবিমানবাহী ই নয়, একাধিক যুদ্ধজাহাজ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। সরকারিভাবে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ বেইজিং।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যেই বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজটি তৈরি হয়ে যাবে। জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রের পাশাপাশি ইয়াংজে নদীর মোহনায় প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা ও বিশাল একটি বিরাট বন্দরও নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে। আগের উপগ্রহ চিত্রগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, মাত্র এক বছর আগেও এই বন্দরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলো। এটার পাশে একটি বন্দর রয়েছে যেখানে বেশ ক’টি ডেস্ট্রয়ার ও অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ নোঙর করে আছে।

সিএসআইএসের এক বিশেষজ্ঞ ম্যাথু ফিইনাইওলে জানালেন, বন্দর আর জাহাজ নির্মাণের কাজ যেভাবে একই সঙ্গে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, তা দেখে এটা স্পষ্ট যে নিজেদের নৌবাহিনী নিঃশব্দে ঢেলে সাজাতে চাইছে বেইজিং।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সামরিক বিশ্লেষক কোলিন কোহ বলছেন, জনবহুল উত্তরাঞ্চলীয় চীনের দালিয়ান বন্দরে চেয়ে জনবিরল ইয়াংজে নদীর মোহনার এই বন্দর বেশি নিরাপদ।

চীনের সামরিক বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কোন ঘোষণা দেয় নি, তবে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, এটি নির্মিত হচ্ছে।

পেন্টাগন বলছে, চীনের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে গত মে মাসে প্রকাশিত বার্ষিক সমীক্ষায় এই তৃতীয় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ শুরু করার বিষয়টি রয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রয়টার্সের এ বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেয়নি।

ম্যাথু ফিউনাইওলে বলছেন, সর্বশেষ উপগ্রহ চিত্রগুলো এটা নিশ্চিত করছে যে চীনের এই তৃতীয় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী পরিচালিত এক লাখ টনী ‘সুপারক্যারিয়ারের’ চেয়ে ছোট তবে ফ্রান্সের সাড়ে ৪২ হাজার টনের চ্যালস দ্য গল যুদ্ধজাহাজের তুলনায় বড়।

চীন ২০১৮ সালে প্রতিক্ষায় ২০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে আর মার্কিন বাজেট ছিরেঅ ৭০ হাজার কোটি ডলার। চীনের সূত্রগুলো কখনোই এটা গোপন করেন নি যে তাদের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলীয় ফ্লিটের জন্যে ২টি করে মোট ৬টি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ প্রয়োজন।






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় সেনাসহ নিহত ৫৩
  • নামাজ পড়ার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিল জাপান
  • সিরিয়ায় বাগদাদির আস্তানায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান
  • তালেবানের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা শুরু করুন: আমেরিকাকে চীন, পাকিস্তান রাশিয়ার আহ্বান
  • উত্তর সিরিয়ায় ন্যাটোর হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না রাশিয়া: ল্যাভরভ
  • তুরস্ক সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কুর্দি গেরিলা প্রত্যাহার শুরু
  • নওয়াজ শরিফকে ‘বিষ’ প্রয়োগের অভিযোগ
  • সিরিয়া ছেড়ে ইরাকের পথে মার্কিন সেনারা
  • Leave a Reply