শিক্ষার হাল ও উত্তরণ

শিক্ষা মানুষের অন্তর-শক্তিকে ক্রিয়াশীল করে । খাদ্য-পানি যেমনি দেহকে সতেজ –সবল-কর্মক্ষম রাখে ;অপরিমিত বা মাত্রাতিক্ত খাবার আবার শরীরকে অসুস্থ করে তেমনি যে শিক্ষা অন্তর শক্তিকে বিকাশ ঘটাতে না পারে ,জেগে উঠতে বা বেড়ে উঠতে সাহায্য না করে অথবা মন- শক্তিকে দিন দিন নিভায়ে ফেলে তা কখনই শিক্ষা হতে পারে না। বর্তমান দেশে কী হচ্ছে ? শিক্ষার নামে মন কাড়া সিলেবাস-বই-গাইড অভিভাকদের খুব সন্তুষ্ট করছে বটে ;কিন্তু অভিভাবকগণ আজ এমনভাবে বিকৃত যে, তারা কেবল বাহিরের চাক- চিক্যকেই গুরুত্ব দিচ্ছে ,বাহিরের সাস্থ্যকেই প্রাধান্য দিচ্ছে ,লোকদেখানোকে গর্ববোধ করে । পেটে খাবার না থাক, তবে পোশাকই ভাল হওয়া চাই এমনটাই কি আমাদের মানসিকতা ? এ সব লোক যদি আবার প্রশাসনের বড় বড় সেক্টরের হয় ,যদি সে দেশের শিক্ষা-ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের ভার এদের ওপর ন্যাস্ত থাকে ,তবে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় সে দেশের শিক্ষা-কারিকোলাম আর যাই হোক অন্তর-শক্তিকে সবল-সুস্থ না করে আস্তে আস্তে ঈশ্বর প্রদত্ত প্রাণ বা অন্তর শক্তিকে মেরে ফেলবে । এ দেশে কি সেটাই হচ্ছে ?

দেখুন,প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকার খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে বটে ।ক্লাস ফোর বা ফাইভে বাংলা-ইংরেজি-গণিতে কী আছে?দেখুন ভাল করে । কী দেখবেন ? দেখবেন ,বাংলায় বাক্যগঠন , শব্দগঠন , ক্রিয়া বা অন্য সব পদের ব্যবহার,যতির বা বিরাম চিহ্নের ব্যবহার ইত্যাদি কোমল-মতি ছোট ছোট বাচ্চাদের এ সব এখন প্রাইমারি স্কুলে শিখতে হচ্ছে । ইংরেজিতে parts of speech,tense ,verb of conjugation ইত্যাদি না শিখলে কোন ছেলে বা মেয়ে এ+ পাবে না। আর গণিতে লাভ-ক্ষতি,শতকরা ,সুদ কষা ,লেখচিত্র ,জনমিতি গ্রাফ ইত্যাদি না শিখলে সে এ + পাবে না । এ সব বিষয় আপনারা যারা উপরের পোস্টে দখল করে আছেন , তারা কি ঐ ক্লাসেই শিখেছিলেন? বি এ পাশ করা এমন অনেকেই আছেন , যারা এখনো w h question সঠিকভাবে পারবেন না । তবে কেন সংস্কৃত পণ্ডিতদের মতো আপনাদের দশা ? প্রাচীনকালে সংস্কৃতবাদীরা পুস্তক এমনভাবে লিখতেন যাতে অনুজরা মোটেও বুঝতে না পারে । বর্তমানে পাঠ্যপুস্তক প্রণেতাগণ সেইভাবে কি সিলেবাস-কারিকুলাম তৈরী করছেন ? ছোট ছোট বাচ্চাদের হাইব্রিড জ্ঞান গিলানোর জন্যই কি এমনটা করছেন ? এ কোমল মতি বাচ্চাদের পোল্টি মতো করে বড়ো করা হচ্ছে ? অন্তরের শক্তি ধ্বংস করে বাহিরের স্বাস্থ্য দেখতে চান এরা । এরা জাতিকে মনের শক্তিতে বলীয়ান না করে দৈহিক শক্তি ওয়ালা করতে চান । পেশী শক্তির মাস্তান বানাতে কি চান ? সত্য কথা হলো সিনিয়রা কি এত বিকৃত ? তারা বিকৃতিকে কি পছন্দ করবেন ? দেশের ভবিষ্যৎ কোমল মতি বাচ্চাদেরকে বিকৃত বানাতে চান ? ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অনেকে বলেন যারা হারামি বা খারাপ মানসিকতার , তারা তো হারাম বা খারাপকেই পছন্দ করবেন । দেখুন,মানুষ আজ দুর্নীতি করছে ,দুর্নীতি জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাচ্ছে , দয়া-মায়া শূন্য হয়ে গেছে মানুষ , কেন?। একজন মানুষকে অন্য একজনকে কুপিয়ে মারছে , অন্যরা তা না দেখার ভান করে যার যার কাজে চলে যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার জন্য দায়ী কে বা কারা ? বলবেন মূল্যবোধের অবক্ষয়। মূল্যবোধের অবক্ষ্য় আসলো কোথা থেকে ? সিনিয়রদের দ্বারা সৃষ্ট হলো না অবুঝ শিশু জন্মের পূর্বথেকে তা সংগ্রহ করে এনেছিল পৃথিবীতে ? নষ্ট অগ্রজদের দ্বারা কি এ সব হয়েছে ? শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুন্দর মনের মানুষ গড়ার উপযোগী করে ঢেলে তৈরী করুন ,তবে ভাল জাতি বা মনোশক্তিবলীয়ান জাতি তৈরী হবে । শিশুদের ভাল শিক্ষা দিন ,সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে দিন ,তবে বাঙালি জাতি আবার দৈহিক বলের সাথে সাথে নৈতিক –মূল্যবোধ সম্পন্ন শক্তিশালী জাতি হিসাবে গড়ে উঠবে । বিদ্বান ব্যক্তিরা দুর্জন প্রকৃতির বলেই কি এমন হচ্ছে ? অর্থাৎ যে শিক্ষক মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে আছেন ,তার নিকট থেকে শিক্ষার্থীরা বিকৃত বা ভুল শিক্ষাই পাবে । এখন আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে । দেখুন , প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ ছেলে-মেয়ে সমাপনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হচ্ছে । সিলেবাসের কাঠিণ্য ও বিশালতার কারণে ক্লাস ফোর-ফাইভের ছেলে-মেয়ের প্রায় ২% বা ৩% ভালভাবে শিখছে জোরজবরদস্তিতে ; আর বাকীরা দেখে দেখে বা অন্য উপায়ে পাশ করছে । এ পাশ দিয়ে কী হচ্ছে ? এমন শিক্ষতদের দ্বারাই কি খাদ্য-ওষুধসহ সব ক্ষেত্রে ভেজাল ও অনিয়ম হচ্ছে ? না ,এমন শিক্ষিত জনবল দ্বারা কি আমাদের দেশের এই দুর্নীতি-ভেজাল সমস্যা সমাধান হবে ? প্রতি বছর ৩০ লক্ষ নবীন ছেলে-মেয়েদের সুন্দরভাবে তৈরী করা গেলেই আমাদের জাতি আবার নৈতিকবলে বলিয়ান হয়ে উঠবে ; উক্ত বিপদজনক সমস্যা সমাধান হতে পারে ।

শিশুরা অত্যন্ত কোমল । নরম স্পর্শ এরা চায় ,সুন্দর ব্যবহার-ভালবাসা যার কাছে পায় ,তার কাছে বেশী থাকতে চায় বা যেতে চায় ।এটা যেমন সত্য তেমনি শিক্ষা-পদ্ধতিটা তেমন হওয়া উচিত ।অর্থ্যাৎ শিশু-মনের উপযোগী চিত্রধর্মী পুস্তক প্রণয়ন করা দরকার । তাই শিশু-মনের উপর বেশী চাপ পড়ে বা বেশী ভারী বোঝা হয় এমন সিলেবাস-কারিকুলাম শিশু-মনের জন্য আনন্দদায়ক হতে পারে না । শিশুর কচি মন কচি পাতার মতো ,গাছের মাঝ পাতা যেমন নরম , শিশুর কচি মনও তদ্রূপ । এই কচি মনের উপর ভারী-কঠিন বিষয়-সিলেবাস চাপিয়ে আমরা তাদের মনকে মেরে ফেলছি ।মন মরা শিশুরা পড়ায় আনন্দ পাচ্ছে না । পড়া লেখায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। মোবাইল বা ইন্টারনেট-গেম খেলা নিয়ে পড়ে থাকছে অথবা পরবর্তীতে নেশার জগতে ডুবে যাচ্ছে ।আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিলেবাস ও কারিকুলাম বেশ ভারী নয় কি ? আদালত যেখানে ঘোষণা করেছেন শিশুদের ১০কেজির বেশী পুস্তকের ভার চাপানো যাবে না । সেখানে বাচ্চাদের ব্যাগে এ গাইড সে গাইডসহ অনেক বই বহন করতে হচ্ছে ।এ প্লাস পাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে যায় । আর বাচ্চাদের খেলার সময় থাকে না; খাওয়াও প্রায় পথে পথে হয় । এমন দশা আজ আমার দেশে ! জোর করে পাশ করানো ছেলে-মেয়েরা উচ্চ শিক্ষায় কি ভাল করছে? এ প্লাস পাওয়ারা ভাল জায়গায় ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বিভাগে প্রয়োজনীয় ভর্তি-আসন পূরণ হয় না । এত এ প্লাস হচ্ছে, তবে মেধাবী কোথায় ? জোর করে খাওয়লে যেমন বদ হজম বা ডায়রিয়াও হয় ;তদ্রূপ এ প্লাস পাওয়াদের দশা কি তাই ?

দেখুন, শিশুরা কিন্তু সৃজনশীল । তারা নতুন কিছু দেখতে পছন্দ করে । নতুন কিছু তৈরীতেও বেশী মজা পায় । বাধাধরা বা ব্যাকরণের নিয়ম এদের মাথায় ঢুকবে না ;কিন্তু যা পড়ে তা আবার অনুরূপ বলতে পারে বা করতে পারে। হয়তো নিয়ম ব্যাখ্যা করতে পারবে না, তবে অবিকল তা করতে পারে । এই যে দেখে দেখে শেখা বা নতুন করার প্রবণতা –এটাই তো এক প্রকার সৃজনশীলতা ।এই সৃজনশীলতাকে চাপা দেওয়া ঠিক হবে কি ? শিশুকে ইতিবাচক কিছু দেখান তবে সে ভাল কিছু শিখবে । আর নেতিবাচক এর সংস্পর্শে আসলে সে নেতিবাচকটাই শিখবে । প্রায়ই অভিভাবক নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেয় না বা অন্যায়-অসৎ উপায়ে উপার্জন করে বলেই তাদের সন্তানও ভাল হচ্ছে না,এমনটাই অনেকে বলতে পারেন কিন্তু আসল ঘটনা কি তাই ? শিক্ষক বা অভিভাবকদের সান্নিধ্যে থেকে শিশুরা অনেক কিছু শেখে । এমন দেখা গেছে যে পিতা-মাতার চেয়ে শিক্ষককেই বেশী অনুসরণ করে । এ জন্য ভাল ও নৈতিকতা সম্পন্ন শিক্ষকের দরকার অনেক বেশী । অনুকরণপ্রিয় শিশুরা শুধু অনুকরণই করে না বরং সাথে সাথে নতুন কিছু শেখে এবং বানাতেও চায় । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই এমন শিশুও নতুন নতুন যন্ত্রপাতিও বানাচ্ছে অনায়াসে । এটা হচ্ছে সৃজনশীল প্রবণতা থেকে । তাই শিশুর সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দিয়েই আমাদের সিলেবাস বা কারিকুলাম তৈরী হওয়া উচিৎ ।প্রত্যেক শিশু সুপ্ত প্রতিভা নিয়ে জন্ম নেয়,এই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ দিবে শিক্ষা ব্যবস্থা-সিলেবাস-কারিকুলাম । তবেই স্রষ্টার দেওয়া নিয়ামত তথা সম্ভাবনাকে মানব বা পৃথিবীর কাজে আসবে ।

সৃজনশীল শিক্ষা কী তা অনেকেই বুঝতে চান না । এই পদ্ধতিতে চারটি চিন্তন দক্ষতা যাচায়ের সুযোগ আছে। যেমন–জ্ঞান , অনুধাবন ,প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা ।আর পূর্বের পদ্ধতিতে জ্ঞান ,অনুধাবন ও উচ্চতর দক্ষতা যাচায়ের সুযোগ আছে ।এই পদ্ধতিতে প্রয়োগ দক্ষতা খুব বেশী আসে না ।

এখন দেখা যাক , জ্ঞান কী ? জ্ঞান হলো কোন নুতন তথ্য জানা ; অনুধাবন হলো সেইটা(জ্ঞান) কী তা ভালভাবে বুঝে নেওয়া বা অর্থের বিশালতা-গভীরতা জানা; প্রয়োগ হলো সেই উপলব্ধি বা অভিজ্ঞতাকে প্রয়োজনে নতুন নতুন পরিবেশ-পরিস্থিতে কাজে লাগাতে পারা বা ব্যবহার করতে পারা অথবা তা কাজে লাগিয়ে উপস্থিত বা সম্মুখীন সমস্যাকে সমাধান করতে পারা । এখন প্রশ্ন হলো সিলেবাসের জ্ঞান যদি শিক্ষার্থী বাস্তব ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে না পারে বা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান না করতে পারে ,তবে সেই বিদ্যার দরকার কী ? যে বিদ্যা মনের বিকাশ ঘটায় না , মনকে সাহসি করে না –তার দরকার আছে কি ? অনেক ক্ষেত্রে মুখস্থ বিদ্যা মানুষের মনের উপর নেতিবাচক প্রভাবও ফেলে ,মুখস্থ বিদ্যা হলো এক প্রকার বিদ্যা যা জোর করে গিলানোর মতো ।এই বিদ্যা অনেক ক্ষেত্রে অল্প সময়ের ব্যবধানে হারিয়ে যায় বা ভুলে যায় । শিক্ষার্থী যদি প্রদত্ত তথ্যটিকে ভালভাবে বুঝে নিতে পারে ,তবে সেটিকে সে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে করতে বেশ অভিজ্ঞ হয়ে উঠবে এবং সেই অভিজ্ঞতাকে আরো উন্নত বা শানিত করে তুলতে পারবে । আর এটাই হচ্ছে উচ্চতর দক্ষতা । এই উচ্চতর দক্ষতা অর্জনকারীরাই সমাজে কিছু উপহার দিতে পারবে বা কিছু অবদান রাখতে পারবে ।শিক্ষা-ব্যবস্থার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য এমনটাই হওয়া উচিত । সৃজনশীল মানুষ তৈরী এখন সময়ের দাবী । এই সৃজনশীল প্রতিভাধরদের দ্বারাই পৃথিবীতে নুতন নুতন দিগন্তের উন্মোচন হচ্ছে । বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এই সৃজনশীলতার বিকল্প আছে কি ?

সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্ন-প্রণয়ন ও খাতা মূল্যায়নে আমার দেশের শিক্ষকগণ এখনও পরিপূর্ণভাবে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে নি ।পরিপূর্ণভাবে সক্ষমতা অর্জন করতে সরকার ও শিক্ষকদের আরো আন্তরিক-যত্নবান হতে হবে । খাতা মূল্যায়নে যথেষ্ট অবহেলা পরিলক্ষিত হয়—-সৃজনশীল প্রশ্নে ক দাগে জ্ঞানের প্রশ্ন থাকে এবং খ দাগে অনুধাবনের প্রশ্ন থাকে । ক ও খ দাগের উত্তরের জন্য পরীক্ষার্থীদের খুব বেশী মেধার প্রয়োজন হয় না । যারা এ + পেতে পারে তাদের মেধা যাচাই হয় গ দাগে অনুধাবন ও উচ্চতর দক্ষতা (ঘ দাগের) প্রশ্নে । প্রায় দেখা যাচ্ছে যে,উত্তরপত্র মূল্যায়নে পাশের হার বাড়ানোর জন্য গ ও ঘ দাগে অকারণে নম্বর দেওয়া হচ্ছে বা দিতে বলা হচ্ছে । যেখানে সাধারণের পাশের জন্য ক ও খ দাগে ৩০% নম্বর বরাদ্ধ এবং যারা ক ও খ-তে নম্বর পাচ্ছে না ,তাদের পাশের জন্য গ ও ঘ দাগে অকারণে নম্বর দেওয়া হচ্ছে বা দিতে বলা হচ্ছে । তাছাড়া যে পরীক্ষার্থী গ ও ঘ দাগে ভাল লিখছে ,সেখানেও পূর্ণ নম্বর পাওয়ার কথা অথচ আনুমানিক অল্প নম্বর দিচ্ছে । আবার গ ও ঘ তে ভাল লিখছে না অথচ সেখানে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হচ্ছে । এভাবে খাতা মূল্যায়ন হলে সঠিক মেধা যাচাই হবে না । অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মেধাবীরা এ+ প্লাস পাচ্ছে না । আবার অনেক কম মেধাবী ছাত্র বা ছাত্রী এ +প্লাস পাচ্ছে বটে ;ভাল জায়গায় ভর্তির সুযোগ হচ্ছে না বা চান্স পাচ্ছে না । ভাল প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দ্বারা প্রশ্ন প্রণয়ন ও খাতা মূল্যায়নের ব্যবস্থা করতে হবে । তবে প্রকৃত মেধাবী খুঁজে পাওয়া যাবে ,দেশ ও জাতি উপকৃত হবে । #####

মোঃ নজরুল ইসলাম

প্রভাষক (বাংলা)

কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা

কলারোয়া ,সাতক্ষীরা ।






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • রাশিয়ায় পারমাণবিক গবেষণার সুযোগ পেয়েছিলেন আবরার
  • বুয়েটে দলীয় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
  • সেই তানিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায়
  • স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ এর দ্বিতীয় অধ্যায় এখন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  • তালার শিক্ষক জি,এম আসাদুজ্জামান সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা
  • আগামী বছর থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণির টিউশন ফি দেবে সরকার
  • ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পারিবারিক সভা
  • Leave a Reply