নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযান ইয়াবা ও কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামীসহ গ্রেপ্তার-৩

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযান ইয়াবা ও কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামীসহ গ্রেপ্তার-৩ নড়াইলের লোহাগড়া ও নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতিতে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ জসিম মোল্লা (২৫) নামে এক ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে থানার পুলিশ। গতকাল নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খাসিয়াল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানায় জসিম নড়াইলের খাসিয়াল গ্রামের মৃত সৈয়দ মোল্লার ছেলে। ইয়াবা ব্যাবসায়ি জসিম মোল্লা (২৫)কে তার নিজ বাড়িতে ইয়াবা ট্যাবলেট কেনাবেচা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল নড়াইলের নড়াগাতি থানার পুলিশের নেতৃত্তে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে প্যাকেটে মোড়ানো ৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নড়াইলের নড়াগাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপরদিকে থানা পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষণ দিবা গত রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়নের চাচই গ্রামের নাসির শেখের লম্পট ছেলে নাহিদ শেখ (১৮) ও একই গ্রামের আঃ কাদের শেখের কিশোরী মেয়ে (১৫), এর সাথে প্রায় দেড় বছর পুর্বে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে মোহাম্মদ নাহিদ শেখ নড়াইলের চাচই গ্রামের মুক্তার শেখের বাড়িতে নিয়ে তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমের সহযোগিতায় ঘরের মধ্যে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। পরে ওই কিশোরীর পিতা আঃ কাদের শেখ বাদী হয়ে নাহিদকে প্রধান আসামী করে নড়াইলের লোহাগড়া থানায় গত ২৫ জুলাই রাতে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নড়াইলের লোহাগড়া থানার এসআই মিল্টন কুমার দেবদাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ২৫ জুলাই রাতেই ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার),জানান জানায়, ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন শেষে ওই কিশোরী বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদার আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেছে। পুলিশ ধর্ষণে সহযোগিতা করায় গত ২৬ জুলাই শনিবার রাতে আসামী সুফিয়া বেগম (৩৫)কে গ্রেফতার করে এবং গত ২৭ জুলাই শনিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত ওই সহযোগি বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী শেষে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। #####

সাবধান হোন, গুজবকারী হিসেবে আইনের জালে ফেঁসে যেতে পারেন আপনিও! নড়াইল পুলিশ সুপার


নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: সাবধান হোন, গুজবকারী হিসেবে আইনের জালে ফেঁসে যেতে পারেন আপনিও! নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার) বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে নড়াইল জেলা পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ফেসবুকে গুজব সৃষ্টিকারী এক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কোথাও কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেখা মিললে তাকে গণপিটুনি না দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, কারণ গণপিটুনি প্রদানকারীদেরও বর্তমানে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। নড়াইলসহ, দেশের বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে, ছেলেধরা- এমন গুজব ছড়িয়ে একটি বিশেষ মহল বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন। ফলে এমন গুজবে কান দিয়ে, গুজবকে ছড়িয়ে দেয়ার মতো অভিযোগে যে কেউ গ্রেফতার হতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে সচেতন করার পাশাপাশি এ বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করার কথা জানানো হচ্ছে। যেকোনো ধরণের গুজব প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিমের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে আনসার ও ভিডিপি। বাহিনীর ৬১ লাখ সদস্য সাধারণ জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়। এ বিষয়ে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, কুসংস্কার থাকলে গুজব ছড়ায়। পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার জন্য গ্রাম, ইউনিয়ন পর্যায়ে আনসার বাহিনীর লিডারদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। গুজব থেকে সাবধান হতে জনসাধারণকে সচেতন করতে ৬১ লাখ আনসার সদস্য কাজ শুরু করেছে। এমনকি গুজবকারীদের বিরুদ্ধে বাহিনীর সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করছে বলেও জানা গেছে। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে সেজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকল স্তরের কর্মচারীদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে গুজব রটানো সহজ বলে অসাধু মহল শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সর্বসাধারণকে বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে গুজব রটনাকারীদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করারও আহ্বান জানানো হয়েছে। নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার) আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, কারণ গণপিটুনি প্রদানকারীদেরও বর্তমানে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এদিকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা এবং গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা ফৌজদারি অপরাধ বলে উল্লেখ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এ বিষয়ে সারা দেশের বিভিন্ন ইউনিটকে গুজব প্রতিরোধে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দিয়েছে। এরইমধ্যে গুজব প্রতিরোধে কাজও শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুজব ছড়ানোর দায়ে সারা দেশে গ্রেফতার হয়েছে বেশ কয়েকজন। গুজব প্রতিরোধে পুলিশ-প্রশাসন জনসাধারণকে সাবধানতা অবলম্বন করার আহ্বান জানাচ্ছে। কেননা, গুজবকারী হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ফেঁসে যেতে পারেন আপনিও। ####

নড়াইলের সার ডিলারদের সিন্ডিকেটের কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছেন কৃষকরা!!

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলের সার ‘ডিলারদের ‘সিন্ডিকেটের’ কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। অভিযোগ রয়েছে ডিলাররা তাদের ইচ্ছামতো কৃষকদের অতিরিক্ত টাকায় সার কিনতে বাধ্য করছেন। এ জন্য কর্তৃপক্ষের মনিটরিং না থাকাকে দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, নড়াইলের জেলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ড্রাষ্টিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া আছে। শর্ত রয়েছে, ওই সব ডিলার তাদের স্ব স্ব ইউনিয়নে ব্যবসা পরিচালনা করবেন। অথচ অধিকাংশ সার ডিলার ব্যবসা পরিচালনা করছেন পৌরশহরের মধ্যে। এছাড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারছেন না লোহাগড়ার প্রান্তিক কৃষকরা। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, ডিলারদের সিন্ডিকেটের ফলে চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছে তারা। চলতি ইবি-বোরো মৌসুমে অধিকমূল্যে সার কেনার ফলে লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক কৃষকের। তবে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা এ সব অভিযোগ অস্বীকার করছেন। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সমোরেন বিশ্বাস বলেন, ‘এই উপজেলায় ১৩ জন বিসিআইসি ডিলার এবং ৯৭ জন সাব ডিলার প্রান্তিক কৃষকদের সার দেওয়ার জন্য নির্ধারিত রয়েছেন। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ডিলারদের দাবি, যানবাহনে অধিক খরচ ও সড়কের বেহালদশার কারণে শহরের গোডাউনে রেখে সার বিক্রি করছেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকায় অবস্থিত নড়াইলের লোহাগড়া বাজারে রয়েছে জয়পুর ইউনিয়নসহ একাধিক ইউনিয়নের ডিলার ও সাব ডিলার। সিডি বাজার ও তাদের স্বস্ব ইউনয়ন গোডাউনে রেখে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে সার বিক্রির কথা। এ সব ইউনিয়নের কৃষকরা পরিবহন খরচ আর সময় বাঁচাতে এলাকার খুচরা দোকান থেকে বেশিদামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়নের চাঁচই গ্রামের কৃষক শেখ জামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় সারের কোনো ডিলার আছে কিনা জানা নেই। আমরা নড়াইলের লোহাগড়া পৌর শহর থেকে সার কিনে জমি চাষ করি। এলাকায় সার বিক্রি করলে আমাদের গাড়ি ভাড়া ও সময় বাঁচতো। আড়িয়ারা গ্রামের সোহরাব শেখ বলেন,আমরা প্রতিকেজি ইউরিয়া সার ১৮ টাকা দরে কিনেছি, সার যখন পাওয়া যায়না তখন ২২ থেকে ২৫টাকায় কিনতে হয়। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬ টাকা। নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতার হোসেন বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নে সারের ডিলার আছে কিনা? কি নাম তার সেটাইতো জানিনা। এই ইউনিয়নে কোন ডিলার সার বিক্রি করে না। সার বিক্রি হয় পৌরশহরে। ডিলার না থাকায় এলাকার কৃষকরা ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে। স্বস্ব ডিলার তাদের নির্ধারিত ইউনিয়নে নায্য মূল্যে সার বিক্রি করলে কৃষক উপকৃত হতো। নড়াইলের নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল কবির, তিনি নড়াইলের নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়ন সার ডিলার নিযুক্ত হন। তিনি নড়াইলের জয়পুর সিডি বাজারে গোডাউনে রেখে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও প্রায় দশ বছর পৌর শহরের পরশমনি শ্বশানঘাট গোডাউন এবং পৌর শহরের সার ডিলার, ‘আরএস এন্টার প্রাইজ’ সরকার পাড়ায় নাম কাওয়াস্তে গোডাউন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত সার গোডাউনে পৌছানোর আগেই ট্রাকের ওপর থেকে চড়া দামে খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে সামান্য সার গোডাউনে রেখে দেয় বলে জানান কয়েকজন সার বিক্রেতা। সার বিতরন সংক্রান্ত নীতিমালা লংঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাহার এন্টার প্রাইজ,প্রোপাইটর হাবিবুল্লাহ বাহার সার ডিলার নিয়োগ নিজ নামে নড়াইলের নলদী ইউনিয়নের মিঠাপুর বাজার আসার পর তার ভাই আইয়ুব হোসেন, নড়াইলের মল্লিকপুর ইউনিয়নের পাচুড়িয়া বাজার, ছেলে আল মাসুম আজাদ নড়াইলের কাশিপুর ইউনয়নের এড়েন্দা বাজার ও তার স্ত্রী মিসেস জাকিয়া বাহার নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের পাজারখালী বাজার ও জেলা সদর ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার অন্য ইউনয়নে নিকট আত্মীয়ের নাম স্বর্বচ্ছ দেখিয়ে সারের ডিলার নিয়োগ পেয়ে নড়াইলের জেলা উপজেলায় সার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছেন। নড়াইল সদর উপজেলায় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করেন নড়াইলের মাইজপাড়া বাজারের বিসিআইসি সার ডিলার অলোক কুমার কুন্ডু। সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে স্বস্ব ইউনিয়নের নাগরিকগন কেবলমাত্র আবেদন করতে পারবে। এক ইউনিয়নের নাগরিক অন্য ইউনিয়নের ডিলার হতে পারবে না। দেখা যায়,‘আরএস এন্টার প্রাইজ’ প্রোপাইটর যশোর শার্শা উপজেলার বিসিআইসি ডিলার ও শার্শার স্থায়ী বাসিন্দা শুভাশীষ কুন্ডু, তিনি কাগজে কলমে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নে বাড়ি দেখিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার ডিলার নিয়োগ পান। নড়াইলের নলদী ইউনিয়নের বাসিন্দা তরুন কুমার সাহাকে অনুরুপ ভাবে নড়াইলের শালনগর ইউনিয়নের সার ডিলার নিয়োগ পাইয়ে দেয় হাবিবুল্লাহ বাহার। নড়াইলের শালনগর ইউপি চেয়ারম্যান খান তসরুল ইসলাম বলেন, শুভাশীষ কুন্ডু তার ইউনিয়নের বাসিন্দা নন। তার নানা বাড়ি এ ইউনিয়নে ছিল, এখন নানা বাড়িরও কোন অস্তিত্ব নেই। প্রতিটি ইউনয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন করে সাব ডিলার সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ ডিলারকে ওয়ার্ডে গিয়ে পাওয়া যায়নি। দেখা যায় তারা শহর ও গ্রামের হাটবাজারে ছোট পরিসরে ঘর ভাড়া করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে সার বিক্রি করছেন। সেখানে নেই কোন মূল্য তালিকা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিসিআইসি শর্তানুযায়ী গোডাউন, সারের মজুদ, কৃষকের মাঝে বিক্রয় বিতরন মাষ্টাররোল শুধু কাগজে কলমে পরিদর্শন করেন বলে জানান কয়েকজন সার ব্যবসায়ী। নড়াইলের উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন সিন্ডিকেট ব্যবসার মাধ্যমে হাবিবুল্লাহ বাহার ও অলোক কুমার কুন্ডু কৃষি সেক্টরে রাম রাজত্ব কায়েম করে কৃষকের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও কৃষি বিভাগ রয়েছে উদাশীন। নড়াইল জেলা প্রশাসক ও সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি আনজুমান আরা, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান, ডিলারদের এ সব অবৈধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে সব ডিলার পৌরশহরে ব্যবসা করছেন তাদের স্ব স্ব ইউনিয়নে গিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া অধিকমূল্যে সার বিক্রয় এবং অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। #####

নড়াইলে স্কুল ছাত্র তিতাসের মৃত্যু: যার ফোনে ফেরি ছাড়তে দেরি তিনিই করলেন

তদন্ত কমিটি! বড়বোনের আবেগঘণ স্ট্যাটাস

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তিতাস ঘোষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে নেয়া হচ্ছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তাকে বহন করা অ্যাম্বুলেন্সের গতি রোধ করে তিন ঘণ্টা আটকে রাখে শিমুলিয়া ঘাটের ফেরি কর্তৃপক্ষ। কারণ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুস সবুর মন্ডল ঢাকায় ফিরবেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর সচিব আসার পর ছাড়া হয় ফেরি। ততক্ষণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় তিতাসের। ঘটনার কিছু আগে ‘ভিআইপি যাবে’ বলে ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক সালামকে বার্তা পাঠান মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। মূলত তার অনুরোধ রাখতেই ওই দিন দেরিতে ফেরি ছাড়া হয়। ফলে মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যায় স্কুলছাত্র তিতাস। তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, তিতাসের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সেই জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলামই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল হক পাটোয়ারীকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন তিনি। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন-শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, এএসপি (সার্কেল) আবির হোসেন ও বিআইডব্লিউটিসির এজিএম (মেরিন) একেএম শাজাহান। কমিটিকে সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এবিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আবদুস সবুর ম-ল পিরোজপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তিনি কাঁঠালবাড়ি ঘাটে যাওয়ার আগে আমার কাছে ফেরিতে যাওয়ার বিষয়টি জানান। পরে আমি ঘাটের ব্যবস্থাপক সালামকে ভিআইপি ফেরিতে ওঠার বিষয়ে বার্তা পাঠাই। কিন্তু ওই ঘাটে অ্যাম্বুলেন্সে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় রোগী আছে, তা আমি জানতাম না। ঘাটের ম্যানেজার এ বিষয় আমাকে কিছু জানাননি। রোববার বিষয়টি জানতে পারলাম আমি। বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘আমি তখন অন্য ঘাটে ছিলাম। খবর পেয়ে ওই অতিরিক্ত সচিবকে ফেরিতে উঠানোর জন্য ঘাটে আসি। রাত ১০টার দিকে সাংবাদিক পরিচয়ে এক ব্যক্তি রোগীবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্স ফেরিতে উঠানোর অনুরোধ করেন। সচিবের গাড়ির সঙ্গে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি রাত ১১টার দিকে ফেরিতে উঠিয়ে দেই। পরে কি হয়েছে তা আমি জানি না। একই ঘটনা তদন্তে আরেকটি কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিউটিসি। বিআইডব্লিউটিসির জেনারেল ম্যানেজার মো. আশিকুজ্জামানকে প্রধান করে দুই সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর সদস্য হলেন সংস্থাটির ডিজিএম (মেরিন) মো. ফজলুল হক। এরই মধ্যে আশিকুজ্জামানের নেতৃত্বে বিআইডব্লিউটিসির দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এর আগে সোমবার সকালে এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহনেওয়াজ দিলরুবা খানকে প্রধান করে দুই সদস্যের এ কমিটি করা হয়। কমিটির অপর সদস্য হলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শাহ হাবিবুর রহমান হাকিম। কমিটিকে আগামী সাতদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। #####






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • এনইউবিটি খুলনাতে ফল সেমিস্টার ২০১৯- এর এ্যাডমিশন ফেয়ার
  • চার শিল্পীকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান,শিল্পী ঐক্যজোটের কৃতজ্ঞতা
  • শার্শায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
  • জেন্টল পার্কে তের বছর পূর্তি অফার
  • গ্রাজুয়েট প্রাইভেট প্রাকটিশনারদের নিয়ে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা
  • বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্টিত
  • মোংলা বন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য
  • নওগাঁয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও হিরোইন সহ ৩ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
  • Leave a Reply