জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের মত্যুতে যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রিংকু’র শোক প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ (এইচ. এম. এরশাদ) এর মত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ ও হাউফো’র ভাইস-চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহিদা রহমান (রিংকু)। তিনি মরহুম রাষ্ট্রপতি এরশাদের বিদেহী রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়াও তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাতের জন্য দলীয় সর্বস্তরের নেতা-কর্মী সহ দেশ-বিদেশের সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

জানা যায়, রোববার (১৪ জুলাই ২০১৯ ইং) সকাল পৌনে ৮টায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ (এইচ. এম. এরশাদ)। ৯০ বছর বয়সী এরশাদ রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২২ জুন সিএমএইচে ভর্তি করা হয় তাকে। এর আগেও তিনি একাধিকবার দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নেন।

উল্লেখ্য, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ (এইচ. এম. এরশাদ) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তিনি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রংপুর জেলায় শিক্ষাগ্রহণ করেন এবং ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান। যিনি ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টি নামক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ আসন হতে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা।
১৯৮৩ সালে নির্বাচিত সরকারের অধীনে সেনা প্রধানের দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সামরিক শাসন জারীর মাধ্যমে দেশ শাসন করেন। দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুন:প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ঘোষণা করে তিনি ১৯৮৬ সালে সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন দেন। এই নির্বাচনে তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ভোটপ্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং পরে ৫ বছরের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে গণ-বিক্ষোভের চাপে তিনি ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন।

ক্ষমতা হারানোর পর এরশাদ গ্রেফতার হন এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় না আসার পর্যন্ত কারারূদ্ধ থাকেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি কারাগার থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং রংপুরের ৫টি আসন থেকে নির্বাচিত হন। বিএনপি সরকার তার বিরুদ্ধে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে। তার মধ্যে কয়েকটিতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন এবং সাজাপ্রাপ্ত হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি ৫টি আসন থেকে নির্বাচিত হন। ৬ বছর আবরুদ্ধ থাকার পর ৯ জানুয়ারি ১৯৯৭ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে আদালতের রায়ে দন্ডিত হওয়ার কারণে সংসদে তাঁর আসন বাতিল হয়ে যায়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীঢ নির্বাচনে তার সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং তার স্ত্রী রওশন এরশাদ প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা হন। আর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ আসন হতে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা। ####






সংযুক্তিমূলক সংবাদ ..

  • এনইউবিটি খুলনাতে ফল সেমিস্টার ২০১৯- এর এ্যাডমিশন ফেয়ার
  • চার শিল্পীকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান,শিল্পী ঐক্যজোটের কৃতজ্ঞতা
  • শার্শায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
  • জেন্টল পার্কে তের বছর পূর্তি অফার
  • গ্রাজুয়েট প্রাইভেট প্রাকটিশনারদের নিয়ে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা
  • বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্টিত
  • মোংলা বন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য
  • নওগাঁয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও হিরোইন সহ ৩ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
  • Leave a Reply