সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

01

মারুফ সরকার, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :: বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও অনার্স পড়–য়া সিরাজগঞ্জের ১১৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক অনাড়াম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এতে প্রধান অতিথি এবং জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকা. পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ এস.এম মনোয়ার হোসেন ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের গবেষনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হাকিম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রায় ৮ লাখ ২৬ হাজার টাকার আর্থিক অুনদানের চেক তুলে দেন।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান ও বিশেষ অতিথি ছাড়াও পরিষদের সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হামিদ আকন্দ, কাজি সেলিনা পারভীন পান্না, রেফাজ উদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দুর্নীতি

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখানে গড়ে উঠেছে দালালচক্র। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুয়া চিঠি দেখিয়ে নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য চক্রটি লাখ লাখ টাকা উৎকোচ নিচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। স্লিপ প্রকল্প, স্কুল মেরামত, বদলি, অবসর, শ্রান্তি-বিনোদন, বকেয়া বেতন-ভাতার ফাইলও ঘুষ ছাড়া নড়ে না।চরাঞ্চলের শিক্ষকদের বিভিন্ন প্যাঁচে ফেলে বা কৌশলে হয়রানি ও নির্যাতন করে প্রায়ই ঘুষ নামের বখশিশ আদায় করা হয় এখানে। অভিযোগ দিলেই শিক্ষকদের ওপর চলে নানা ধরনের নির্যাতনের খড়গ। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ রয়েছে উপজেলাপ্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ওই দপ্তরের তার নিজের গড়া চক্রের বিরুদ্ধে।অভিযোগ আছে, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মে যে চক্রটি জড়িত, তাতে আছে শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর-কাম অফিস সহকারী আবদুল মালেক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও পুখুরিয়া কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক। চরাঞ্চলের শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের আশ্বাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুয়া স্মারক ও চিঠিপত্র প্রস্তুত করে চৌহালীতে ১৯টি নতুন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয় সৃষ্টিতে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারির পূর্বের তারিখ দিয়ে অখ্যাত পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। যেনতেন ঘর তুলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে চারজন করে শিক্ষক নিয়োগ ও জাতীয়করণের কথা বলে ওই চক্রটি প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।অফিস সহকারী আবদুল মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর ফিরোজ বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতি আমি পছন্দ করি না। চৌহালীতে যোগদানের পর থেকে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। তবে নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা বলে টাকা আদায়ের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।এদিকে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদেকুর রহমান নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে অবগত নন জানিয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন, শিক্ষা অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্কুল ফাঁকি দেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দীক মো. ইউসুফ রেজা এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, চৌহালী উপজেলা শিক্ষা অফিস ও একটি চক্র নতুন ১৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সৃষ্টিতে মন্ত্রণালয়ের কিছু চিঠিপত্র আমার কার্যালয়ে পাঠিয়ে সুপারিশের জন্য তদবির শুরু করে। এগুলো আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি আবার ওই চিঠি যাচাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। পরে প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিশাখা-১ থেকে যুগ্ম সচিব স্বাক্ষরিত পত্রে জানতে পারি, নতুন বিদ্যালয় সৃষ্টিতে যে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ভুয়া ও জাল। এরপর ওই স্কুলগুলোর নাম মন্ত্রণালয়ে পাঠাইনি। এ ছাড়া শিক্ষা অফিসে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কিছু শিক্ষক স্কুল ফাঁকি দিয়ে অফিসে তদবিরের বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রমাণ পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ইবির ডায়েরি প্রকাশ
  • ২০১৫ সালের ডিগ্রী পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স (পুরাতন সিলেবাস)পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ
  • তালায় সুন্দরবন বিশ্ববিদ্যালয়,সাতক্ষীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষক এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা
  • ইবির আবাসিক হল বন্ধ ১৯ জুন
  • ইবি কর্মচারী বরখাস্ত
  • বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ইবিতে বৃক্ষরোপণ
  • ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল প্রকাশ