সাতক্ষীরার বল্লীতে চলছে জবর দখলের মহোৎসব : নিরব প্রশাসন

satkhira-news-logo-original-900
Share Button

বল্লী প্রতিনিধি :: সদরের বল্লীতে সরকার দলীয় গুটি কয়েক নেতা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আদালতের নির্বাহী আদেশকে অমান্য করে জামায়াতের সমার্থক নাশকতা মামলার আসামী মো: মামুনুর রহমানকে(৪৫) বল্লী গ্রামের প্রবীন দলিল লেখক আ:লীগের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত কর্মী জাকাত আলী (৬৫) ৮০ বছরের ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থঅয় পাকা দোকান ঘর নির্মানে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থাপন নির্মানকারীরা অত্যন্ত দুর্দান্ত প্রকৃতির এবং মামুনুর রহমান সাবেক ছাত্র শিবিরের ক্যাডার। জবরদখলকারীরা সরকারী দলের গুটি কয়েক নেতার ছত্র ছায়াই থাকার কারণে ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। তবে রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে স্থানীয় ভূমি অফিস ও স্থানীয় প্রশাসন। এলাকাবাসী জানাই সাতক্ষীরা সদরের বল্লী ইউনিয়ানের বল্লী গ্রামের বল্লী ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার উত্তর পাশের্^র সম্পত্তি কয়েক যুগ যাবত জাকাত আলী গংরা ভোগ দখল করে আসছে।

কিন্তু সম্পত্তি সরকারদলের গুটি কয়েক নেতার ছত্র ছায়াই সাবেক শিবির ক্যাডার মামুনসহ বেশ কয়েকজন উক্ত জায়গা জবর দখল করে দোকান ঘর নির্মান করেছে। এলাকাবাসী আরো জানান, বিগত ২২ শে মার্চ ইউ.পি নির্বাচনের পর হতে সরকারীদলের গুটি কয়েক নেতার ছত্র ছায়াই জবর দখলকারীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যেকোন সময় উক্ত স্থানে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাঁধতে পারে বলে এলাকাবাসীরা জানায়। এব্যাপারে ভুক্তভোগী প্রবীন দলিল লেখক আ: লীগ কর্মী জাকাত আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি সহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলিতভাবে প্রায় ৮০ বছর যাবত উক্ত সম্পত্তি ভোগদখলে ছিলাম। কিন্তু সুচতুর মামুন গংরা নামে মাত্র কোবল দলিল সৃষ্টি করে আমার কয়েক যুগের ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখল করে দোকান তৈরি করেছে। তাতে সহযোগিতা করেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সরকারদলীয় গুটি কয়েক নেতা।

আরো বলেন, আদালতে মামলা করেছি কিন্তু ভূমি দস্যুরা আদালতের নির্বাহী আদেশ অমান্য করে জবরদখল পূর্বক দোকান ঘর নির্মান করেছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আদালত যে রায় দিবে আমি সে সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিব। অত্র এলাকার এক প্রবীন মুক্তিযোদ্ধা নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে প্রতিবেদককে বলেন, পত্রিকায় লিখে কি লাভ ঐ ভূমিদস্যু ও সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আপনারাা কিছুই করতে পারবেন না। আরো বলেন, বর্তমানে বল্লী মোড়ে জমি যেই কেনাবেচা করবে তাকে ঐ প্রভাবশালী গুটি কয়েক নেতাকে আগে ম্যানেজ করতে হবে। যেটা বর্তমানে ওপেন সিক্রেট বল্লী মোড় এখন জবরদখল ও লুটপাটকারীদের মোড় বলে পরিচিত। কেউ এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না।

প্রতিবাদ করলে হয় শারীরিক নির্যাতন নহিলে রাতের আঁধারে পুলিশি হয়রানি। এব্যাপারে জবরদখলকারী পক্ষের নামে কথা বললে তারা জানান, তাদের কাজগ পত্র সঠিক। এজন্য তারা উক্ত স্থানে স্থাপনা তৈরি করেছেন। অত্র এলাকাবাসী আরো জানান, বর্তমানে ঐ ভূমিদস্যু লুটপাটকারী চক্র বল্লী ইউ.পির সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রধান আ: লীগ নেতা শামসুর রহমানের ভোগদখলী সম্পত্তি জবরদখলে সহায়তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সার্বিক বিষয়ে সত্যতা জানতে স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের মোবাইলে যোগযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এব্যাপারে ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল ভূমিদস্যু জবরদখলকারী ও সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক ব্যবস্থা গ্রহনে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ৭ দফা দাবীতে বাংলাদেশ সড়ক ও জনপদ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের বিক্ষোভ সমাবেশ
  • সাতক্ষীরা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
  • বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভ করায় আনন্দ উৎসবের আলোচনা সভা
  • ধুলিহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে নজরুল ইসলামের জন্মদিন পালিত
  • হিন্দু সম্প্রাদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
  • সাতক্ষীরায় সাড়ে ১২ কেজি রূপা জব্দ
  • সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন মাল্টি কমপ্লেক্সের ছাদ ঢালাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
  • সাতক্ষীরায় সেবা দিবস উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ