শ্যামনগরে অব্যাহত বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে : সচেতন মহল নিরব

images

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর :: লাগামহীন পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে শ্যামনগর জনপদের সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরম আর বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারনে এ এলাকার শিশুরা পড়ছে নানা রোগে। সরকারের শত উন্নয়ন নষ্ট করতে বিদ্যুতের এক শ্রেনীর কর্মচারীরা ইচ্ছামত বিদ্যুৎ সরবরাহ করে চলেছে।

এদিকে মাস শেষে আসছে দ্বিগুন বিদ্যুৎ বিল। কোন কারনে এক মাস বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করতে পারলে,নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হচ্ছে।পরবর্তীতে মোটা টাকার বিনিময় আবার সংযোগটি হয়রানীর মাধ্যমে লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে।পল্লি বিদ্যুতের স্থানীয় কর্মচারীদের নানা কারনে শ্যামনগর বাসী বিভিন্ন সময়ে হয়রানীর মধ্যে। সাধারন মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে পল্লী বিদ্যুতের কাছে।তাদের যেন অভিযোগ করার কোন সুযোগ বা জায়গা নেই।সামান্য কোন সমস্যা হলে দেখা যায়,জেলার বিভিন্ন উপজেলা বা গুরুপ্তপুর্ন স্থানে সাধারন মানুষ প্রতিবাদে ফেটে পড়ছে।আদায় করে নিচ্ছে তাদের নার্য্য অধিকার। তবে কি এদিকে থেকে শ্যামনগরের সাধারন মানুষ দুর্ভাগ্যের মধ্যে। এর পরও সচেতন মহল,জনপ্রতিনিধি মহল,সাংবাদিক মহল সবাই কি নিরব থাকবে।পল্লী বিদ্যুতের এই লাগামহীন লোডশেডিংয়ে কেউ কি কোন প্রতিবাদ করজেনা। তাহলে সাধারন মানুষ কোথায় যাবো।কয়েকদিন পার্শ্ববর্তী কালিগন্জ উপজেলায় উপজেলা চেয়ারম্যানেরর নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।এর পর থেকে সেখানে বিদ্যুৎ সহনশীল অবস্থায় চলে এসেছে। না কাদলে মায়ে তার নিজ সন্তানকে দুধ দিতে চায়না। ঠিক কোন অধিকার আন্দোলন ছাড়া কেউ ফিরে পায়নি। শ্যামনগরে যেন সব কিছুই মাত্রাহীন অবস্থায় চলছে।নিয়মনীতি ভেঙ্গে অনিয়ম, দুর্নিতী, স্বেচ্ছাচারিতা যেন লেগেই আছে। এসকল অবস্থার কোন প্রতিবাদ না থাকায় দুর্নিতী বাজরা বেচে নিয়েছে শ্যামনগর জনপদ কে।এখানে দিনের পর দিন আকড়ে ধরে চালিয়ে যাচ্ছে অনিয়ম দুর্নিতী। বছরের পর বছর অবস্থান করছে একেকজন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এসকল দুর্নিতী বাজরা গর্ব করে বলে শ্যামনগর জনপদের মানুষ খুবই ভাল। তারা খুবই সহজ সরল।এঅজুহাতে চালিয়ে যাচ্ছে সুচাতুর দুর্নিতী বাজরা তাদের কার্য্যক্রম। সব কিছুই একটি নিয়মের মধ্যে থাকার কথা।

ঠিক পল্লী বিদ্যুতের ও একটি নিয়ম কানন। সাধারন গ্রাহকদের জানার জন্য বা অবগত করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে পল্লী বিদ্যুতের। কখন বিদ্যুত থাকবেনা, কি কারনে থাকবে না, কতক্ষণ থাকবে না সব কিছু সাধারন গ্রাহকদের জানাতে হবে। বিদ্যুত বিছিন্ন করার আগে মাইকিং করতে হবে। অথচ গ্রাহকদের কোন কিছুই না জানিয়ে ইচ্ছামত লাগামহীন বিদ্যুৎ বিছিন্ন করে রাখা হয়েছে, শ্যামনগর জনপদ কে। ডিজিলাইশনের সকল কার্য্যক্রম থমকে দেয়া হচ্ছে। মাসের শেষে কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছে এ এলাকার গ্রাহক সমাজ। অথচ বিদ্যৎ বিভ্রাট কেন হচ্ছে, তা তাদেরকে জানানোই হচ্ছে। গ্রাহকদের একজন না কি গ্রাহক প্রতিনিধি বা পরিচালক আছেন যিনি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সুবিধা অসুবিধা দেখবেন? কিন্ত গ্রাহক সেই পরিচালককে চোখেই দেখিনি এখনও, তো নিজেদের অসুবিধার কথা কখন বলবে।সবই যেন আমাদের দুর্ভাগ্য।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মচারীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,বিভিন্ন লাইন সম্প্রসারনের কাজ চলছে,যার কারনে একটু সমস্যা হচ্ছে,তবে দ্রুত এর সমাধান হবে।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • শ্যামনগরে শেখ রাসেলের ৫৩ তম জন্মদিন উৎযাপন
  • ১৮ অক্টোবর শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • মহাত্মাগান্ধী স্বর্ণপদ পেলেন এমপি জগলুল হায়দার
  • শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানী বিষয়ে নারীদের মতবিনিময় সভা
  • ভূরূলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন
  • হেমানজিওমা”এক বিরল রোগে আক্রান্ত শ্যামনগরের জেবা তাসনিয়া
  • শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস অনুষ্ঠিত
  • শ্যামনগরে “স্টাফ” এর উদ্দোগে কৃতি ছাত্রছাত্রীদরে বৃত্তি প্রদান