প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খায়রুল হক জাতির সাথে প্রতারণা করেছিলেন: রিজভী

179781_4
Share Button

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়ে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক দেশের গণতন্ত্রের জন্য সর্বোচ্চ খারাপ নজির স্থাপন করে গেছেন। সেই সময় তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই জাতির সাথে প্রতারণা করেছিলেন।

শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় যখন আদালতে প্রকাশ্যে পড়ে শোনানো হয় তখন খায়রুল হক বলেছিলেন আরো দুই মেয়াদের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। অথচ এর ১৬ মাস পর যখন তিনি পূর্ণাঙ্গ রায় লিখিতভাবে প্রকাশ করলেন তাতে এ কথাটাই বাদ দিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি যে তা করেছিলেন তার বর্তমান বক্তব্যে সেটি আবারো জনগণের কাছে প্রমানিত হলো।

রিজভী আরো বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সেটিও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই করেছেন। পরে এর পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হয়ে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে পুরস্কার হিসেবে ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন চিকিৎসার কথা বলে, যা সেসময় গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছিল। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির সরকারের এধরণের চাকুরী গ্রহণ করা নজীরবিহীন এবং আত্মবিক্রয়ের এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে হয়তো আরো বড় কোনো পুরস্কারের আশায় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে তিনি মনগড়া কথা বলেছেন। ভবিষ্যতে তিনি হয়তো আরো বড় ধরনের পুরস্কারের আশা করছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আইনের শাসন, গণতন্ত্র, মানুষের ভোটের অধিকার তথা জনগণের শত্রু ও বর্তমান এক ব্যক্তির ভয়াবহ দু:শাসনের ঘৃন্য সেবক। এই সাবেক প্রধান বিচারপতি যুক্তি, বিবেকবর্জিত ও চাকুরী লোভী বিচারপতি হিসেবে তার ঠাঁই হবে ইতিহাসের আস্তকুঁড়ে।

রিজভী বলেন, প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘তার যদি নৈতিকতা থাকে তাহলে স্বেচ্ছায় চলে যাবেন। না হলে আইনজীবীরা তার বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।’ আগামী সেপ্টেম্বরে আইনজীবীরা আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তার (প্রধান বিচারপতি) যদি সামান্যতম জ্ঞান ও বুঝ থাকে, তাহলে তিনি স্বেচ্ছায় চলে যাবেন। বিএনপি’র সঙ্গে বন্ধুত্ব করে, বিএনপির সুরে কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে আঁতাত করে বেশিদিন এ মসনদে থাকতে পারবেন না। এখন আর চোখ বুজে থাকার সুযোগ নেই। এখন কারো রক্তচক্ষু সহ্য করব না। অবশ্যই আমরা তার অপসারণ চাই।’






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ভোলায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান
  • পরিবেশ রক্ষায় ইটের বিকল্প কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ
  • ভারতীয় অর্থায়নে বাংলাদেশে ১৫টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন সুষমা
  • শাহজালালে ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক
  • মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে: সুষমা
  • নারীরা বিনামূল্যে পাবেন টেলিটকের ২০ লাখ সিম
  • প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন
  • জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ