পাইকারী বাজারে বেড়েছে মোটা চালের দাম

4

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক ::রাজধানীর পাইকারি বাজারে দেশি মোটা ও সরু চালের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা বেড়েছে আমদানি করা মোটা চালের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, সরকার খোলাবাজারে চাল বিক্রি করলে পাইকারি বাজারে সবধরনের চালের দাম কমবে। এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে অনেকটাই কমেছে চিনি এবং সব ধরনের মসুর ডালের দাম। এছাড়া আমদানি করা পেয়াজের দাম কমলেও অনেকটাই বেড়েছে আদা ও দেশি পেঁয়াজের দাম।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর চালের আড়তগুলোতে ভরা মৌসুমে দিনাজপুর, নওগাঁ, চাপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাল আসছে। পাইকারি বাজারে মান ভেদে প্রতিকেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ থেকে ৬৩ টাকা এবঙ আটাশ ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা কেজি।

সম্প্রতি বাজারে মোটা চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার পর সরকারের নীতি সহায়তায় আমদানির ফলে চালের দাম কিছুটা কমে আসছিল কিন্তু গত সাত দিনের ব্যবধানে তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫ টাকা কমে বাজারে দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে-প্রতিকেজি ৮৮ টাকায়, আমদানি করা মসুর ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা। মুগডালের কেজি মানভেদে ৯৮ থেকে ১০৫ টাকা।

এছাড়া প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৩ টাকায়, প্রতিকেজি খোলা সয়বিন ৮৪ টাকায় এবং প্রতিকেজি পামঅয়েল ৭৩ টাকায়। স্থিতিশীল আছে বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম।

এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম ৩ থেকে ৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৬ কেজি দরে।

এছাড়া আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতিকেজি দাম ১৭ থেকে ২০ টাকা এবঙ আদার দাম ১৫ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে অপরিবর্তিত আছে আটা ও ময়দার দাম। প্রতিকেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা এবং ময়দা ২৯ টাকা।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ঈদ সামনে রেখে জাল টাকার ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজরা সক্রিয়
  • গ্যাসের দ্বিতীয় দফা মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবৈধ: হাইকোর্ট
  • রিজার্ভ চুরি: গোপনে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে সমধানের দায়িত্ব দেয়া হয়
  • টাকা পাচার নয়, সুইজারল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য বেড়েছে: অর্থমন্ত্রী
  • নতুন টাকা ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • রাজধানীতে ১ টাকায় ইফতার -সেহেরি দিচ্ছে হিন্দু সংগঠন!
  • আগামী অর্থবছরে সংসদের বাজেট ৩১৫ কোটি টাকা