তুরস্কে পালিত হচ্ছে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী

9

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: ইসলামবাদ: পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর প্রধান সিরাজ-উল-হক তুরস্কের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে তুর্কি জনগণের সাহস ও প্রতিরোধের প্রশংসা করেছেন।

তিনি আনাদোলু নিউজ এজেন্সিকে এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমি তুর্কি জনগণের প্রতি অভিবাদন জানাই যারা জীবন বাজি রেখে ট্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং তাদের রাষ্ট্র, সরকার ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করেছিল’।

আজ ১৫ জুলাই তুরস্কে পালিত হচ্ছে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে দেশটির সরকার। গত বছরের ১৫ জুলাই তুর্কি সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্য যখন এরদোগান সরকারকে হটাতে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছিল, তখন রাজপথে হাজারো তুর্কি রুখে দিয়েছিল সেই চেষ্টা। এতে আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়। তবে এ যাত্রায় বেঁচে এরদোগানের সরকার এবং দেশটির গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা।

ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাকিস্তানের প্রভারশালী রাজনৈতিক এই নেতা ১৫ জুলাইকে তুর্কি জাতির বিজয় দিবস অভিহিত করেছেন।

তুর্কি সরকারের মতে, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্কে যে ব্যর্থ অভ্যুত্থান হয়েছিল তার জন্য ফেতুল্লাহ্ সন্ত্রাসী সংগঠন এবং যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নেতা ফেতুল্লাহ্ গুলেন দায়ী। এ ব্যর্থ অভ্যুত্থানে ২৫০ জন শহীদ এবং ২২০০ জন আহত হন।

ফেতুল্লাহ্ সন্ত্রাসী সংগঠনের জনবল তুর্কি সংস্থা বিশেষ করে সামরিক,পুলিশ ও বিচার বিভাগে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে তুর্কি সরকারকে উৎখাত করার জন্য ফেতুল্লাহ্ সন্ত্রাসী সংগঠনটি দীর্ঘমেয়াদি প্রচারাভিযান চালাই বলে অভিযোগ করেছে আঙ্কারা।

পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী প্রধান সিরাজ-উল-হক বলেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের গতিশীল নেতৃত্বের কারণে তুরস্কের সব ক্ষেত্রে আজ অগ্রগতি হয়েছে এবং এখন এটি বিশ্বের শীর্ষ ২০টি বড় অর্থনীতির দেশের একটিতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের জনগণ তাদের শাসকদের ব্যাপারে হতাশ কারণ শাসকরা তাদের জাতির সাথে ভণ্ডামী এবং দুর্নীতি করছে কিন্তু তুরস্ক হচ্ছে একমাত্র দেশ যার জনগণ দেশটির সরকার ও প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের প্রতি সন্তুষ্ট। তারা তাদের প্রেসিডেন্টের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

গত বছর ১৬ জুলাই জামায়াত-ই-ইসলামি সারা পাকিস্তান ব্যাপী সমাবেশ করে তুরস্কের জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশের লক্ষ্যে।

পাকিস্তানে ফেতুল্লাহ্ সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত স্কুল সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের মাটির ব্যবহার করে কেউ তুরস্কের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার অনুমতি পাবে না।’

তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে তুরস্কে এ সেনা অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা সিরাজ-উল-হক আরো বলেন, মুসলিম বিশ্বে এরদোগানই একমাত্র নেতা যিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য বলিষ্ঠ কন্ঠে আওয়াজ তুলেছেন।

আফগানিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জেআই প্রধান দাবি করেন যে, আফগানিস্তানের অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী এবং তারা আফগান যুদ্ধে কখনো জয়লাভ করতে পারবে না।

তিনি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের নেতৃত্বকে এ অঞ্চলের শান্তি আনতে সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানান।

আনাদোলু নিউজ এজেন্সি অবলম্বনে






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • আল আকসা মসজিদ থেকে মেটাল ডিটেক্টর সরাচ্ছে ইসরায়েল
  • ‘চীন-ভারত যুদ্ধ অসম্ভব নয়’
  • গাজায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা
  • উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন ট্রাম্প!
  • স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার শর্তে আলোচনায় আগ্রহী কাতার আমির
  • চীনে রেস্টুরেন্টে বিস্ফোরণে নিহত ২, আহত ৫৫
  • তুরস্ক-গ্রিস উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
  • উল্টো বাংলাদেশের কাছে পানি চান মমতা